kalerkantho

শনিবার । ২১ ফাল্গুন ১৪২৭। ৬ মার্চ ২০২১। ২১ রজব ১৪৪২

২০২১ সালে দারুণ সব চমক নিয়ে আসছে রিয়েলমি

অনলাইন ডেস্ক   

২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:০৫ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



২০২১ সালে দারুণ সব চমক নিয়ে আসছে রিয়েলমি

কাউন্টারপয়েন্টের পরিসংখ্যান অনুসারে, রিয়েলমি এখন বাংলাদেশের শীর্ষ চার মোবাইল ব্র্যান্ডের ১-টি। একটি স্মার্ট লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডের ১ বছরেরও কম সময়ে দেশের বাজারে এরকম উত্থান এর আগে দেখা যায়নি। সারা বিশ্বে রিয়েলমি এখন একটি আলোড়নের নাম।

ইতোমধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে ৫ কোটি স্মার্টফোন বিক্রির রেকর্ড গড়ে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের খেতাব জিতে নিয়েছে রিয়েলমি। ‘স্মার্টফোন + এআইওটি’ কৌশলে বিশ্ব মাতিয়ে ভারতে টিডব্লিওএস (ট্রু ওয়্যারলেস স্টেরিও) ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশের এক মাসের মধ্যে ৫ম স্থান; তিন মাসের মধ্যে বাজারে তৃতীয় স্থান এবং ৬ মাসের মধ্যে সেখানে শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে।

বিশ্বজুড়ে দুই বছরেরও কম সময়ে ৬১টি মার্কেট এবং অঞ্চলে প্রবেশের মাধ্যমে রিয়েলমি প্রযুক্তি বাজারে নতুন বেঞ্চমার্ক সৃষ্টি করেছে। ২০২০ এর শুরুর দিকে ল্যাটিন আমেরিকা এবং পূর্ব ও পশ্চিম ইউরোপে রিয়েলমি ২৫০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এর সাথে খুব কম সময়ের মধ্যে রিয়েলমি বিশ্বের ১২টি মার্কেটে শীর্ষ ৫-এ চলে এসেছে।

ভক্তদেরকে চোখ-ধাঁধানো ডিজাইন উপহার দিতে নাওতো ফুকাসাওয়া, জোসে লেভি, গ্রাফলেক্সসহ বিশ্বের নামকরা ডিজাইনাদেরকে সাথে নিয়ে রিয়েলমি কাজ করে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ, রিয়েলমি ইতোমধ্যে ৫টি আন্তর্জাতিক ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে, যা রিয়েলমির জন্য এক বিশাল অর্জন।

গেল বছরে বৈশ্বিক মহামারীতে প্রযুক্তি বাজার একটি বড়সড় ধাক্কা খায় এবং প্রযুক্তি বাজার অর্থনৈতিকভাবে দারুণ ক্ষতির সম্মুখীন হয়। কিন্তু তার মধ্যেও রিয়েলমির মার্কেট শেয়ার ছিল আকাশচুম্বী এবং বিগত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রথম সারির একমাত্র ব্র্যান্ড হিসেবে দুই অংকের প্রবৃদ্ধি অর্জন করে।

২০২১ সালে রিয়েলমি আরো নতুন মাইলফলক সৃষ্টির জন্যে নতুন প্রযুক্তি, নতুন স্টাইল, সেরা পারফরমেন্সের কম্বিনেশনে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

২০২১ সালে রিয়েলমি ব্যক্তি, পরিবার এবং ভ্রমণ- এই তিন ক্ষেত্রে তাদের গবেষণার ধারা অব্যহত রাখবে এবং টিডব্লিওএস, স্মার্ট ওয়াচ, স্মার্ট টিভি এসব ক্যাটাগরির পণ্য আরও উন্নত করে ব্যবহারকারীদের দিবে চমৎকার অভিজ্ঞতা। এআইওটি ইকোসিস্টেম তরুণদের লাফস্টাইলকে আরো সমুন্নত করে জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তাদের কাজগুলোকে আরো গতিশীল করবে।

স্মার্টফোনের পাশাপাশি এআইওটি বাজারেও শীর্ষস্থান অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে রিয়েলমি। ‘ডেয়ার টু লিপ’ স্পিরিটে ব্র্যান্ডটি বিশাল সংখ্যক এআইওটি পণ্য বাজারে আনার এবং জেন জি জেনারেশনের গান শোনা, খেলা, ভিডিও এবং ই-স্পোর্টসসহ বিভিন্ন ট্রেন্ডি ক্ষেত্রগুলোতে আরো উৎসাহ দিয়ে তাদের সহযোগিতা করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তারুণ্য-কেন্দ্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে রিয়েলমি সবসময় তাদের টার্গেট গ্রুপের চাহিদা মেটাতে সচেষ্ট।

চলতি বছরে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নেতৃত্ব বজায় রাখার জন্য রিয়েলমি বিভিন্ন ফিউচারিস্টিক প্রযুক্তি বাজারে আনার পরিকল্পনা অব্যহত রাখবে। ব্র্যান্ডটি ফাইভজি’র জনপ্রিয়তা বাড়াতে এবং ব্র্যান্ডটির প্রোডাক্ট পোর্টফোলিওর জন্য ফাইভজি প্রযুক্তি প্রয়োগে কাজ করবে। রিয়েলমি বিশ্বে ফাইভজির বিকাশের জন্য প্রোডাক্ট থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় ফাইভজি আনার জন্য অপারেটর, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি), ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইত্যাদির সাথে কাজ করে একটি সম্পূর্ণ ফাইভজি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

বিশ্ববাজারে ব্র্যান্ডের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে, রিয়েলমির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্কাই লি বলেন, ‘২০২০ ছিলো চ্যালেঞ্জ এবং সংকটে ভরা ব্যতিক্রমী একটি বছর। তবুও, দক্ষতার সাথে অত্যাধুনিক পণ্য এবং সেবা বাজারে এনে আমরা স্থানীয় চাহিদা পূরণ করেছি এবং তরুণদের কাটিং-এজ প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ করে দিয়েছি। ২০২১ সালে আমরা সারা বিশ্বের তরুণদের আরও স্মার্ট এবং ট্রেন্ডসেটিং অভিজ্ঞতা উপহার দিতে আমাদের ‘স্মার্টফোন+ এআইওটি’-এর ডুয়াল ড্রাইভ কৌশলে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখব। আমরা বিশ্বের বিভিন্ন

বাজারে স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হিসেবে ১ নম্বর অবস্থানে পৌঁছাতে চাই। আর এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও সহজলভ্য ফাইভজি প্রযুক্তি তৈরির উপর জোর দিচ্ছি।’

আকর্ষণীয় মূল্য পরিসরে সর্বাধুনিক উদ্ভাবনগুলো বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে উপহার দেয়ার লক্ষ্যে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে রিয়েলমি এ দেশের বাজারে প্রবেশ করে এবং সাথে সাথে জনপ্রিয়তা পায়। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ -এর মতে, বাংলাদেশের তরুণদের পছন্দের ব্র্যান্ড এখন রিয়েলমি। এবছর রিয়েলমি বাংলাদেশে তরুণদের জন্য বৈশ্বিকভাবে লঞ্চ হওয়া সবধরনের স্মার্ট ডিভাইসেস নিয়ে এসে দারুণ একটি ইয়ুথ ইকোসিস্টেম তৈরি করতে বদ্ধপরিকর। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা