kalerkantho

বুধবার । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৭  মে ২০২০। ৩ শাওয়াল ১৪৪১

করোনা প্রতিরোধে দুটি সংস্থার স্বেচ্ছাসেবা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ এপ্রিল, ২০২০ ১৮:৪৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনা প্রতিরোধে দুটি সংস্থার স্বেচ্ছাসেবা

করোনা পরিস্থিতিতে সৃষ্ট দুর্ভোগ লাঘবে ও করোনার প্রকোপ মোকাবিলায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সুরক্ষা কর্মসূচির পাশাপাশি ও বিভিন্ন সহায়তা উপকরণ নিয়ে যৌথভাবে মাঠে নেমেছে নীড় সেবা সংস্থা ও শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্র। এ ধারাবাকিতায় গত শুক্রবার শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্র এবং নীড় সেবা সংস্থাও রাজধানীতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুনাশক স্প্রে দেয়া শুরু করেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়ে গত শুক্রবার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের সামনে থেকে এসব কর্মসূচির সূচনা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। উদ্বোধনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংস্থা দুটির এ কর্মসূচিতে সহায়তা করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

নীড় সেবা সংস্থার চেয়ারম্যান আবু সাঈদ জানান, রাজধানীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে জীবাণুনাশক স্প্রে দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় গাড়িতেও জীবাণুনাশক স্প্রে দেয়া হয়েছে।গত শুক্রবার থেকে তাদের দুই সংস্থার উদ্যোগে রাজধানীর ধানমন্ডির সাতমসজিদ সড়ক, লালমাটিয়া, কাওরানবাজার, তেজতুরি বাজার, তেজগাঁও, ফার্মগেট, রাজাবাজার, মোহাম্মদপুর, পান্থপথসহ বিভিন্ন এলাকার, ঝুঁকিপুর্ণ মহল্লা ও এলাকা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে অব্যাহতভাবে জীবানুনাশক ষ্প্রে করছেন। পাশাপাশি সড়কে চলমান যানবাহনগুলোতে জীবানুনাশক দেয়া হচ্ছে। সংস্থা দুটির ১০০টি ষ্প্রে মেশিন সার্বক্ষণিকভাবে এ সুরক্ষা কাজ করছে। পাশাপাশি পথচারি ও ভাসমান ছিন্নমূল মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে ৫ হাজার মাস্ক, ৮ হাজার হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন সুরক্ষা উপকরণ।

এদিকে সংস্থা দুটির পক্ষ থেকে গত সোমবার থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খাবারের অভাবে কেউ যেন কষ্ট না পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে অসহায় মানুষের মাঝে প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শুরু করা হয়েছে। গরিব মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়েও খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। তারা তাদের এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে চান। তাদের এমন উদ্যোগ ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। এ কার্যক্রমে অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ জন্য ইতোমধ্যে স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) সংগ্রহ করা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকরা নিরাপদ থেকেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

তবে কার্যক্রম বড় আকারে করতে চায় তারা। এতে অনেক অর্থের প্রয়োজন। তাই সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে এমন কার্যক্রম পরিচালনা করা সহজ হবে বলে জানিয়েছেন শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান।

 সংস্থা দুটির দুই শতাধিক কর্মী এ কর্মসূচিতে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন বলে জানা গেছে। তাদের এসব কর্মসূচিতে বিভিন্ন সহায়তা দিচ্ছেন সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা