kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

ঢাবিতে স্বাধীনতার অধিকার নিয়ে নারীর হাতে প্ল্যাকার্ড

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ মার্চ, ২০১৯ ১৮:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাবিতে স্বাধীনতার অধিকার নিয়ে নারীর হাতে প্ল্যাকার্ড

স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর, রাজু ভাস্কর্য, শাহবাগ, দোয়েল চত্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যস্ততম জায়গাগুলোর অন্যতম। আর এ ব্যস্ততম জায়গাগুলোতেই দেখা গেলো প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে আছেন দুইজন করে নারী। তাদের একজনের পরণে সাদা শাড়ি। পোশাক পরিচ্ছদের ধরণ ষাটের দশকের বাঙালি তরুণীর মতো। তার হাতের প্ল্যাকার্ডে লেখা 'বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো।

এ স্লোগানটি স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ের অতি পরিচিত স্লোগান। যেটা বাঙালিকে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য উজ্জীবিত করেছিলো। তার পাশেই দাঁড়ানো অন্য তরুণী। তার পোশাক-পরিচ্ছদে বোঝা যায়, তিনি এ সময়ের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তার হাতের প্ল্যাকার্ডে লেখা, দেশতো স্বাধীন, তবে নারী কেন পুরুষের অধীন?

এ দুজন তরুণী এবং তাদের হাতের দুটো প্ল্যাকার্ড চলমান মানুষের মনে অনেকগুলি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়। সত্যিইতো, নয় লক্ষ জীবন আর দু’লক্ষ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে যে দেশের স্বাধীনতা, সে দেশের নারী আর পুরুষরা কি সত্যিই সমানভাবে স্বাধীনতা উপলব্ধ্বি করতে পারছেন? নারীদের প্ল্যাকার্ড হাতে এ আয়োজনটি করে এটম গাম।

এ সম্পর্কে আয়োজনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, স্বাধীনতার অন্যতম সুফল হল বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু আমরা নারী-পুরুষ স্বাধীনতার সুযোগ সমানভাবে পাচ্ছি না। এজন্যে দায়ী আমাদের পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী। অথচ নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে, সংগ্রাম করেছে, বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। তাই এ দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর মাধ্যমেই দেশ আরো সমৃদ্ধ হতে পারে। আর এ সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই এ প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনীর আয়োজন।

ঠিক একই বক্তব্য নিয়ে বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এটম গামের আয়োজনে প্রদর্শিত হবে মুক্তনাটক ‘একাত্তর ও পরবর্তী’! প্ল্যাকার্ডগুলো প্রদর্শনরত অবস্থায় উৎসুক শিক্ষার্থী ও পথচারীরা আগ্রহ ভরে দেখছিলো আর নিজেদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা করছিলো। এ ব্যাতিক্রমধর্মী ক্যম্পেইনটির ভাবনা ও বাস্তবায়নে ছিল বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘ওঅ্যান্ডজেড সল্যুশান’।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা