kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

আইইউবিএটিতে 'বাংলাদেশের চা শিল্প : চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের কৌশল' শীর্ষক সেমিনার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ মার্চ, ২০১৯ ১৩:০৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আইইউবিএটিতে 'বাংলাদেশের চা শিল্প : চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের কৌশল' শীর্ষক সেমিনার

 
'আমাদের চা, আমাদের গর্ব'- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজিতে (আইইউবিএটি) অনুষ্ঠিত হলো 'বাংলাদেশের চা শিল্প : চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের কৌশল' শীর্ষক জাতীয় সেমিনার। আইইউবিএটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব বিজনেস অ্যামিনিস্ট্রেশন এবং কলেজ অব এগ্রিকালচারাল সাইন্সের উদ্যোগে বাংলাদেশের চা শিল্প এর সম্ভবনা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উক্ত সেমিনারে সর্বমোট ১১টি প্রবন্ধ পাঠ করা হয়।

সেমিনারের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের চা শিল্পের চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের কৌশল চিহিৃতকরণ। বাংলাদেশে চা শিল্পে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। তিনি বাংলাদেশের চা শিল্পে বর্তমান অবস্থা বর্ণনা করে বলেন, চা বাগানে অস্থায়ী শ্রমিক এবং তাদের পোষ্যদের সংখ্যা বছর বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু স্থায়ী শ্রমিকদের সংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছে না। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে নতুন বাগান সৃজনের উপযুক্ত জায়গার অভাব, কর্মসংস্থানের অভাব, পুরাতন বাগানের জায়গায় নতুন বাগান বৃদ্ধি করার প্রবণতা কম, ইত্যাদি কারণে চা শিল্পকে অদূর ভবিষ্যতে দুর্দশা থেকে পরিত্রাণের জন্য অবিলম্বে পুরাতন চা গাছ তুলে নতুন চা রোপণের পরামর্শ দিয়েছেন। এর ফলে একদিকে যেমন অস্থায়ী বেকার শ্রমিদের কাজের সংস্থান হবে অন্যদিকে উৎপাদন বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রবের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. হামিদা আখতার বেগম, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল্লাহ মিয়া, মনিপুর টি কম্পানির  জিএম জুবায়ের হোসেন, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. টি আহমেদ, তেতুলিয়া টি কম্পানির চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, সিনিয়র টি প্ল্যান্টার বিলি আহমেদ এবং হালদা ভ্যালি টি কম্পানির প্রতিনিধিগণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীগণ। 

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রব জাতীয় পর্যায়ে এ ধরনের সেমিনার আয়োজন করার জন্য আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও ক্রমাগত নগরায়নের ফলে ও জনতার শহরমুখিতার কারণে চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। এ ছাড়া সামজিক উন্নয়নের ফলেও চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়েছে। বিগত তিন দশক ধরে চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ফলে চায়ের রপ্তানি হঠাৎ করেই কমে গেছে। তারপরও জাতীয় অর্থনীতিতে চা শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম এবং সুদূরপ্রসারী। ভবিষ্যতে আমারা এ ধরনের সেমিনার আয়োজন করব। স্পন্সর কম্পানিসহ সেমিনারে সার্বিক সহযোগিতার জন্য তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানান। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা