kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

চা বাগানে ঘেরা সিলেটে ‘ফ্রুটিকা ইসলামিক জিনিয়াস’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ মার্চ, ২০১৯ ২০:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চা বাগানে ঘেরা সিলেটে ‘ফ্রুটিকা ইসলামিক জিনিয়াস’

চা বাগানে ঘেরা সবুজ সিলেটে অনুষ্ঠিত হলো দেশের সবচেয়ে বড় ইসলামী প্রতিযোগিতা ‘ফ্রুটিকা ইসলামিক জিনিয়াসে’র চতুর্থ আয়োজনের প্রাথমিক বাছাই পর্ব। 

বৃহস্পতিবার মহানগরীর ধোপাদিঘির পাড় এলাকায় ইউনাইটেড কমিউনিটি সেন্টারে আঞ্চলিক বাছাই পর্বে তিনশোর অধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে ।

প্রাথমিক বাছাইয়ে ২৩ জন প্রতিযোগী নির্বাচিত করা হয় যাদের মধ্য থেকে সেরা ছয়জন ঢাকায় চুড়ান্ত পর্বে সরাসরি অংশগ্রহন করবেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আকিজ ফুড এন্ড বেভারেজের (এএফবিএল) উদ্যোগে ‘ফ্রুটিকা ইসলামিক জিনিয়াস’ নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে ইসলামী আদর্শ তৈরিতে ভুমিকা রাখছে বলে বলে আয়োজকদের ভাষ্য। 

আয়োজকরা জানান প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে বিজয়ী ৫ লাখ, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিজয়ীকে যথাক্রমে দুই ও এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিজয়ীদের স্কলারশিপের সুযোগ দেওয়া হবে। 

এএফবিএলের সহকারি ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আরিফুল হক বলেন, শিশুদের মাঝে শুদ্ধ ইসলামিক মানবিক মূল্যবোধ বিকাশ ও জাগ্রত করার লক্ষ্যে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে করে নবীন শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে ধর্মীয় বিষয়ে নিজেদের পারদর্শী হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে।

সিলেটের বাছাই পর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্বপালন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ওমর ফারুক, ইসলামী সংগীত শিল্পী জাফর সাদেক এবং এটিএন বাংলার এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্বারী একেএম ফিরোজ।

এ মাসের মধ্য ময়মনসিংহে ১০ মার্চ, বগুড়ায় ১৩ মার্চ,  রাজশাহীতে ১৬ মার্চ , খুলনয় ১৯ মার্চ  এবং ঢাকা বিভাগে ২২ মার্চ বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান আয়োজকরা।

আঞ্চলিক সেরা প্রতিযোগিদের নিয়ে পরবর্তীতে ঢাকায় আয়োজন করা হবে কিশোর শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই ইসলামী প্রতিযোগিতার চুড়ান্তপর্ব।

দেশের নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে ইসলামী আদর্শ তুলে ধরার জন্য ২০১৬ সাল থেকে ‘ফ্রুটিকা ইসলামিক জিনিয়াস’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে।  আয়োজকরা বলছেন প্রতিযোগিতাটি শিশুদের মানবিক বিকাশে অবদান রাখছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসার ১২-১৮ বছর বয়সী যেকোনো শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে, যারা ক্বিরাত, ইসলামিক জ্ঞান, হামদ-নাত এবং আযান এ সমানভাবে পারদর্শী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা