kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

গ্লোবাল মোবাইল অ্যাওয়ার্ডস ২০১৯

‘বেস্ট ওভারঅল মোবাইল কনজ্যুমার ইনোভেশন’র তালিকায় টিকটক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৯:১৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘বেস্ট ওভারঅল মোবাইল কনজ্যুমার ইনোভেশন’র তালিকায় টিকটক

স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের অংশ হিসেবে ‘বেস্ট ওভারঅল মোবাইল কনজ্যুমার ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে ‘গ্লোবাল মোবাইল অ্যাওয়ার্ডস-২০১৯’ এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে টিকটক।

টিকটক এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যার লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সৃজনশীলতা, জ্ঞান ও বিশেষ মুহূর্তগুলো ধারণ এবং উপস্থাপন করা। এটি প্রত্যেককে তাদের স্মার্টফোন ব্যবহার করে একজন নির্মাতা হতে সাহায্য করে এবং ব্যবহারকারীদের ভিডিওর মাধ্যমে আবেগ ও সৃজনশীল অভিব্যক্তি শেয়ার করতে উত্সাহিত করার মাধ্যমে একটি কমিউনিটি তৈরির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

একটি গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে টিকটক বর্তমানে ১৫০টিরও বেশি দেশের বাজারে এবং ৭৫টি ভাষায় চালু রয়েছে। জাতীয়তা, লিঙ্গ বা সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থান নির্বিশেষে সকলেই টিকটক ব্যবহার করতে পারে। ২০১৮ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ডাউনলোডকৃত অ্যাপ্লিকেশনগুলির মধ্যে একটি হচ্ছে টিকটক।

টিকটকে অনেক স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও রয়েছে যা ব্যবহারকারীদের জীবনের বিভিন্ন অংশ থেকে তাদের বিভিন্ন সৃজনশীল ধারণা যেমন বিশেষ প্রতিভা, গান, নৃত্য, চিত্র, কমেডি, শিল্পসহ বিভিন্নভাবে প্রকাশ করার সুযোগ তৈরি করে দেয়। এটি অত্যন্ত ইন্টারেক্টিভ চ্যালেঞ্জ এবং ট্রেন্ডিং বিষয়গুলোতে সবার অংশগ্রহণকে প্রাধান্য দেয়।

টিকটকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন করা ম্যাগাজিন দ্য ভার্জ প্ল্যাটফর্মটি সম্পর্কে মন্তব্য করেছে যে, এটি একটি নতুন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন সম্প্রদায়কে নাচ, গান, অভিনয় এবং সহযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের প্রকাশ করার সুযোগ করে দিতে চায়।

এতে আরো বলা হয়, টিকটক অ্যাপটি বেশিরভাগ ব্যবহারকারী শুধুমাত্র আনন্দের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে থাকেন এবং পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের মানুষই যাতে এটি ব্যবহার করতে পারে, সেজন্য এতে প্রত্যেকের জন্য আলাদা কমিউনিটিও আছে।

টিকটক সম্পর্কে- 

টিকটক এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যার লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সৃজনশীলতা, জ্ঞান ও বিশেষ মুহূর্তগুলো ধারণ এবং উপস্থাপন করা। এটি প্রত্যেককে তাদের স্মার্টফোন ব্যবহার করে একজন নির্মাতা হতে সাহায্য করে এবং ব্যবহারকারীদের ভিডিওর মাধ্যমে আবেগ ও সৃজনশীল অভিব্যক্তি শেয়ার করতে উত্সাহিত করার মাধ্যমে একটি কমিউনিটি তৈরির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বেইজিং, বার্লিন, জাকার্তা, লন্ডন, লস এঞ্জেলেস, মস্কো, মুম্বাই, সাও পাওলো, সিউল, সাংহাই, সিঙ্গাপুর এবং টোকিওতে টিকটকের অফিস রয়েছে। ২০১৮ সালে, বিশ্বের সবচেয়ে ডাউনলোড করা অ্যাপ্লিকেশনগুলির মধ্যে একটি হচ্ছে টিকটক। টিকটক বিশ্বব্যাপী আইওএস এবং এনড্রোয়েড এর জন্য সহজলভ্য। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা