kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

নারী-পুরুষ সমতা প্রতিষ্ঠার শপথ নিল ইউনিলিভার ও ইউএন ওমেন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৫:১৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নারী-পুরুষ সমতা প্রতিষ্ঠার শপথ নিল ইউনিলিভার ও ইউএন ওমেন

ইউনিলিভার বাংলাদেশ এবং ইউএন ওমেন এ বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০১৯ উপলক্ষে গত সোমবার রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ১০ দিনব্যাপী এক কর্মসূচি উদ্বোধন করে। এ প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য এবার এমন একটি পদযাত্রা শুরু করা যার মাধ্যমে নারী-পুরুষ বৈষম্য দূরীকরণ এবং শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৮ মার্চ পর্যন্ত মোট ৪টি প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে।

এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড, ব্র্যাক, সিটিব্যাংক, এন এ বাংলাদেশ, গ্রামীণফোন, জি এস কে বাংলাদেশ, এইচএসবিসি বাংলাদেশ, ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড, মাইক্রোসফট বাংলাদেশ, নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের করপোরেটপ্রধানরা। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এবং জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটির ভাইস চান্সেলর, ডিন ও ডিরেক্টর এবং ব্র্যাক ও ট্র্রেস দেস হামেস এর মতো সংস্থার ডিরেক্টররাও উপস্থিত ছিলেন।

ইউনিলিভার বাংলাদেশের সিইও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর কেদার লেলে, ইউ এন ওমেন বাংলাদেশের কান্ট্রি  রিপ্রেসেন্টেটিভ শোকো ইশিকাভা এবং ইউনিলিভার এর গত ১০ বছরের সিইও পল পলমান অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন।

কেদার লেলে ইউনিলিভার বাংলাদেশের নারী-পুরুষ সমতা অর্জনের ক্ষেত্রে ৩টি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা এবার প্রথম সেলস রিজিওনাল হেড এবং সি শিফট ম্যানেজার পদে নারী নিয়োগ দিয়েছি। গত ২ বছরে নারী কর্মকর্তার সংখ্যা ১০% থেকে বেড়ে ৩০% হয়েছে। আর এ অর্জনে আমাদের সহায়তা করেছে সঠিক নীতিমালা।

শোকো ইশিকাভা তাঁর বক্তব্যে ইউনিলিভার বাংলাদেশ এবং ইউ এন ওমেন এর পার্টনারশিপ বিষয়ে উল্লেখ করেন, এ বছর দুটি সংস্থা এক হয়েছে নারী-পুরুষ সমতা বাস্তবায়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে প্রসারিত করতে। এ পদক্ষেপ উন্নত সমাজ গঠনের পাশাপাশি ব্যবসার জন্যও লাভজনক।

এ মর্মে দেওয়া বক্তব্যে পল পলমান আহ্বান করেন, ভুলে যেতে সকল মানসিক প্রতিবন্ধকতা যা বাধা সৃষ্টি করে আমাদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা অর্জন করতে। তিনি জোর দিয়েছেন নারী কর্মীদের দক্ষতা গড়ার ওপর যা তাদের জন্য সৃষ্টি করবে সুযোগ এবং প্রতিষ্ঠিত করবে তাদের অধিকার। তিনি করপোরেট সিইও-দের অনুরোধ জানান এ বিষয়ে এগিয়ে আসার জন্য। তাঁর মতে কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষ বৈষম্য এখনই দূর করা না হলে তা ভবিষ্যতে ডেকে আনতে পারে আরো ভয়াবহ পরিণাম। তিনি আরো উল্লেখ করেন, আমরা কখনোই (ইউ এন) সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট এর লক্ষ্য অর্জনে সফল হতে পারব না যদি আমরা সকলে একসাথে এ বিষয়ে একত্রে কাজ না করি। কেউই যেন  পিছিয়ে পড়ে না থাকে।

প্রোগ্রাম শেষ হয় শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে, 'আমি আমার প্রতিষ্ঠানের তথা পুরো বাংলাদেশের পরিবর্তন এবং নারী পুরুষ সমতার বাহক হিসেবে শপথ গ্রহণ করছি।'  
 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা