kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

'খোলা পরিবেশ এবং নির্মল বাতাস শিক্ষার জন্য উপযুক্ত'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১১:০৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'খোলা পরিবেশ এবং নির্মল বাতাস শিক্ষার জন্য উপযুক্ত'

'শিক্ষার একটি প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করেছে আইইউবিএটি। খোলা পরিবেশে সবুজ ঘাসে ভরা মাঠ, নদী থেকে প্রবাহিত শীতল বাতাস মনটাকে স্নিগ্ধ করে। যেটা পড়াশুনায় সহায়ক ভূমিকা রাখে'- কথাগুলো বলছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) উপাচার্য ড. আব্দুর রব। যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে ৩৩ বছর অধ্যাপনা করেন এবং ৩ বছর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

আইইউবিএটি দেশের অন্যতম সেরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি শুরু হয়েছিল ১৯৯১ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রফেসর ও আইবিএর সাবেক পরিচালক এবং শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। 
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আছে অনেক সুযোগ-সুবিধা। আইইউবিএটির স্থায়ী ক্যাম্পাস উত্তরায়  ১০ নম্বর সেক্টরে গেলেই দেখা যাবে ১৭ বিঘা জমির ওপর সুবিশাল ক্যাম্পাস। সেখানে ১০ হাজার ছাত্র-ছাত্রী নানা বিষয়ে পড়ালেখা করছেন। তাঁদের জন্য পূর্ণকালীন শিক্ষক আছেন ৩৫১ জন। আইইউবিএটি ঢাকায় অবস্থিত একমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে আছে চারটি খেলার মাঠ, শহীদ মিনার, শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল ও গবেষণার ল্যাবরেটরিতে রয়েছে ইউটিএম এবং সাবসনিক বায়ু টানেল।

উপাচার্য ড. আব্দুর রব আরো বলেন, আমরা নিয়ম-কানুন, আদব-কায়দা এবং পোশাকের ওপর গুরুত্ব দিই। একজন শিক্ষার্থীর যে মার্জিত পোশাক পরিধান করতে হয় আমরা সেটারই অভ্যাস করাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ অর্জনে আমরা খুবই গুরুত্ব দিই। শিক্ষার্থীদের সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে আইইউবিএটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। মূল শিক্ষার মতোই আমরা সহশিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ যাবতীয় প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীরাই আয়োজন করে থাকে। বিশেষ করে খেলাধুলা, নবান্ন উৎসব, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা এর আয়োজন করা।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে আমরা শুধু শিক্ষক নিয়োগ নিয়েই ক্ষান্ত নই। যদিও একজন শিক্ষক তাঁর যোগ্যতার বলেই নিয়োগ পান কিন্তু আমরা বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে তাঁদের আরো যোগ্য করে তুলি। 

এই ক্যাম্পাসে ছয়টি অনুষদের অধীনে ৯টি বিষয়ে ডিগ্রি দেওয়া হয়। ব্যাচেলর পর্যায়ে বিবিএ, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইকোনমিকস, এগ্রিকালচার, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং নার্সিং এবং মাস্টার্স পর্যায়ে এমবিএ বিষয়ে পড়ানো হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি-তে ক্যাম্পাস থেকে নিজস্ব বাস চলাচল করে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশিপ, অনুদান, বেতন মওকুফ, শিক্ষাকালীন কর্মসংস্থান এবং শিক্ষাঋণের  মাধ্যামে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

আইইউবিএটির সার্বিক লক্ষ্য হচ্ছে উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও জ্ঞানচর্চা যার মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করা। আইইউবিএটি কোনো ভবন নয় বরং শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রিন ক্যাম্পাস। আর এই পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাসের জন্য ধন্যবাদ পেয়েছে স্বয়ং শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে। হয়তো অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেছেন, একবার এই ক্যাম্পাসটিও ঘুরে আসতে পারেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা