kalerkantho

বুধবার। ১৯ জুন ২০১৯। ৫ আষাঢ় ১৪২৬। ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

ক্যাম্পাস টিপস

গ্রুপ স্টাডির নিয়ম-কানুন

খেলাধুলা থেকে শুরু করে সব কাজ দল বেঁধে করা গেলেও অনেকে পড়াশোনাটাকে আটকে রাখতে চায় নিজের ভেতর। জ্ঞান যদি না ছড়ায়, তবে সেটার আর দাম থাকে! জ্ঞান তো আর টাকা নয় যে বিলিয়ে দিলে কমে যাবে। উল্টো বাড়বে। যার প্রমাণ স্টাডি গ্রুপ। দল বেঁধে পড়ার কিছু টিপস জানাচ্ছেন ফয়সল আবদুল্লাহ

৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গ্রুপ স্টাডির নিয়ম-কানুন

কারা থাকবে?

তুমি যদি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা হও, তবে আগেই দেখে নাও কারা তোমার মতো উদারমনা আছে। কারা সত্যিকারার্থে শিখতে চায়, ভালো রেজাল্ট করতে চায়। তাদের নিয়েই তৈরি করো দল।

 

তৈরি হয়ে যাও

দলের সঙ্গে ভিড়ে গেলেই কাজ শেষ নয়, গ্রুপ স্টাডিতে যাওয়ার আগে ওই দিনের পড়ার বিষয়বস্তু সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা নিয়ে যাও। দেখা যাবে, কেউ না কেউ প্রস্তুতি না নিয়েই আসবে। তখন তাকে বোঝানোর দায়িত্বটাও তো তোমাকেই নিতে হবে। দেখবে, অন্যকে বোঝানোর তাগিদে তুমি নিজেই আগেভাগে সব পড়ে ফেলছ।

 

নীতিমালা

দল বেঁধে পড়া মানেই হৈচৈওয়ালা পরিবেশ নয়। গ্রুপ স্টাডির জন্য একটা নীতিমালা আবশ্যক। গ্রুপে কিভাবে টপিক বাছাই করা হবে, সেটা নিয়ে আলোচনা হবে কত ধাপে, কে কী বলবে, কোন কাজের পর কোন কাজ হবে, শেষে সবাই মিলে নোট নেওয়া হবে কি না—এসব বিষয় মাথা খাটিয়ে আগেই সাজিয়ে নাও। নীতিমালার মধ্যে এটাও থাকতে পারে—কোনো একটি টপিক নিয়ে আলোচনার সময় ওই টপিকের বাইরের কোনো বিষয় কেউ টেনে আনতে পারবে না। তবে দলগত পড়াশোনায় আনতে পারো বৈচিত্র্য। যেমন—এক দিন ঠিক করলে গ্রুপ স্টাডিতে কুইজ খেলা হবে। আবার আরেক দিন সবাই মিলে একটা মডেল টেস্ট দিতে বসবে। এর মধ্যে আরো থাকতে পারে—গ্রুপ স্টাডি শেষে ১০ মিনিটের একটা পুনরালোচনা, পরদিনের টপিক নির্ধারণ, আধা ঘণ্টা পর পর ১০ মিনিটের বিরতি ইত্যাদি।

 

স্থান নির্বাচন

গ্রুপ স্টাডির জায়গাটা যেন পড়ার উপযোগী হয়। শহরের ব্যস্ততম কোনো আড্ডার জায়গায় গিয়ে দ্বিঘাত সমীকরণ বুঝতে গিয়ে আঘাত লাগতে পারে কানে। আবার কারো ব্যক্তিগত স্থানে বিনা অনুমতিতে বসে পড়তে গেলে পড়তে পারো উটকো ঝামেলায়। তাই কোনো বন্ধুর বাসার ছাদ কিংবা স্কুলের মাঠ বা কোনো লাইব্রেরি—এর মধ্যেই একটা বেছে নাও।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা