kalerkantho

সোমবার । ২৪ জুন ২০১৯। ১০ আষাঢ় ১৪২৬। ২০ শাওয়াল ১৪৪০

টিফিন আওয়ার

উড়োজাহাজে কিন্ডারগার্টেন

ধরো তোমার স্কুলটি ইট-পাথরের বিল্ডিং নয়, লম্বা একটা উড়োজাহাজ। সেই উড়োজাহাজে চড়ে তোমাকে ক্লাস করতে হচ্ছে। কিন্তু জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখলে তুমি উড়ছ না, মাটিতেই আছ! নিশ্চয়ই এই স্কুলে ক্লাস করতে ছুট লাগাতে ইচ্ছা করছে। জানাচ্ছেন নূসরাত জাহান নিশা

৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উড়োজাহাজে কিন্ডারগার্টেন

এমনই এক ‘উড়োজাহাজ স্কুল’ আছে জর্জিয়ার রুসতাভিতে। উড়োজাহাজের ভেতরেই আছে গোছানো শ্রেণিকক্ষ, পড়াশোনার জিনিসপত্র, খেলনা ও মজার মজার সব গেমস খেলার সুযোগ। আইডিয়াটা আসে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক গ্যারি চ্যাপিজের মাথায়। তিনি ইয়াক-৪২ মডেলের পুরনো একটি উড়োজাহাজ কেনেন জর্জিয়ার এয়ারওয়েজ থেকে। তবে পুরনো হলেও ওটাকে পরিত্যক্ত ভাবলে ভুল হবে। পুরোপুরি সচল উড়োজাহাজটিকেই স্কুল বানিয়েছেন চ্যাপিজ। ভেতরের পুরোটা স্কুল হলেও ককপিটটি রেখে দেন যেমন ছিল তেমনই। যেখানে আছে প্রায় দেড় হাজার সুইচ। যেখানে ১৫ জন খুদে শিক্ষার্থী চাইলে একসঙ্গে পাইলট পাইলট খেলতে পারে। উড়োজাহাজটি কিন্ডারগার্টেনের রূপে আনতে গ্যারিকে কয়েক মাস খাটতে হয়েছিল। গ্যারি প্রথমে চিন্তায় ছিলেন, তাঁর এ আইডিয়া আদৌ কাজে আসবে কি না। পরে দেখলেন, তাঁর এই উড়োজাহাজ স্কুল অভিভাবকরাও দারুণ পছন্দ করেছেন। ২০১২ সালে উদ্বোধন হয় এই আজব কিন্ডারগার্টেনের গ্যারির মতে, এটি এমন একটি আইডিয়া, যা শিশুদের স্কুলভীতি কাটাবে এবং আনন্দের সঙ্গে তারা স্কুলে আসবে। শিশুরা এ স্কুলে সারাক্ষণই হাসি-আনন্দে মেতে থাকে এবং বাড়ি যাওয়ার সময় এলেই কান্না জুড়ে দেয়।  বিচিত্র এ স্কুলের বেতনও বেশি। জর্জিয়ার সরকারি স্কুলের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। মাসে একজন শিক্ষার্থীর জন্য অভিভাবককে গুনতে হয় বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে সাত হাজার টাকা।

 

মন্তব্য