kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

ভবিষ্যৎও গড়ে দেয়

৯ মে, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিইউবিটির সব বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যতের ক্যারিয়ার গড়ে দেওয়ার জন্য নানা কর্মশালা, চাকরির মেলা, পরামর্শসভা ইত্যাদির আয়োজন করে ‘ক্যারিয়ার গাইডেন্স অফিস’। এটির পরিচালক মোহাম্মাদ মাসুসুর রহমান বলেন, “একেবারে নতুনদের নিয়ে আমাদের কাজ শুরু করতে হয়। ‘নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধকরণ’ নামে তাদের জন্য আমাদের একটি কর্মসূচি রয়েছে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের শুরু থেকেই যেন তাদের সুদূরপ্রসারী চিন্তা-চেতনা গড়ে ওঠে এবং ভবিষ্যতে যেন সঠিক কর্মক্ষেত্র বেছে নিতে পারে, সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিভাগগুলোর শিক্ষক, প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরা আমন্ত্রিত হয়ে এসে তাদের পরামর্শ দেন।’ তিনি জানালেন, ‘আমাদের মূল কাজ হলো, ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের ভবিষ্যৎ পেশা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে দিকনিদের্শনা প্রদান ও ধারণা দেওয়া। সে জন্য এই অফিসের উদ্যোগে প্রতি শনি ও বৃহস্পতিবার ভিন্ন ভিন্ন বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের নিয়ে পরামর্শ ও আলোচনাসভার আয়োজন করি। তা ছাড়া আমাদের উদ্যোগে সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাদের নেতৃত্ব ও দক্ষতা বিকাশের জন্য কর্মশালার আয়োজন করা হয়। সেসব কর্মশালায় নানা পেশার সফল মানুষরা অতিথি হিসেবে এসে এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন। বিষয়ভিত্তিক সেমিনার তো হয়ই। নতুন অনেক কর্মশালারও আয়োজন করি। আমরা ‘প্রফেশনাল এটিকেট’ বা ‘পেশাগত শিষ্টাচার’ বিষয়ে কর্মশালার আয়োজন করেছি। তাতে আমাদের সব বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ নিয়েছে।” তিনি জানালেন, কর্মসূচি, সভা বা সেমিনারের মধ্যে তাঁদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন নামকরা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের ব্যবস্থা করে দেওয়াও তাঁদের অন্যতম কাজ। ক্যারিয়ার গাইডেন্স অফিসের যৌথ আয়োজনে ঢাকার ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় ছাত্র-ছাত্রীদের ইংরেজি দক্ষতা বাড়ানোর জন্য কোর্স পরিচালনা করা হয়। দেশ-বিদেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে এই অফিসের মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণা সমঝোতা চুক্তির আওতায় সেসব দেশে উচ্চশিক্ষা, গবেষণার জন্য ক্রেডিট ট্রান্সফার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তাঁরা গত মার্চে প্রতিবারের মতো ‘বিইউবিটি ক্যারিয়ার ফেয়ার ২০১৭’র আয়োজন করেছেন। সেখানে দেশের নামকরা চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নিয়েছে। বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের কর্মমুখী দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচির অংশ হিসেবে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে টেক্সটাইল বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করেছেন। সেখানে এই খাতের গুরুত্বপূর্ণ মানুষরা অংশ নিয়েছেন। সেমিনার শেষে টেক্সটাইল ল্যাবে ছাত্র-ছাত্রীদের তৈরি তোয়ালে অতিথিদের উপহার দেওয়া হয়েছে এবং তাতে তাঁরা অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।

মন্তব্য