kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

টিফিন আওয়ার

টিফিন ভাগের টেবিল

খাবার নষ্ট না করা ও অন্যকে সাহায্য করা—স্কুল থেকেই যেন শিশুরা এ দুটি পাঠ একসঙ্গে রপ্ত করে, সে জন্য মজার এক ব্যবস্থা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি স্কুল। সেখানে চালু আছে ভাগাভাগির টেবিল। জানাচ্ছেন সজল সরকার

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টিফিন ভাগের টেবিল

দেশটা যুক্তরাষ্ট্র হলেও সরকারি স্কুলগুলোতে টিফিনে সবাই খাবার আনতে পারে না। অভাব-অনটন লেগেই থাকে কারো কারো। তবে একটা টেবিল আছে, যেখানে গেলেই মিলবে কিছু না কিছু। অন্য শিশুরাই সেখানে রেখে দেয় যার যার বাড়তি টিফিন।

ফ্লোরিডার কয়েকটি স্কুলে অনেক দিন ধরেই চলছে ‘শেয়ারড টেবিল’ তথা ভাগাভাগির টেবিল নামের এ কার্যক্রম। বেঁচে যাওয়া খাবার থেকে নানা উপহারও পাওয়া যায় ওই টেবিলে। স্কুলের শিক্ষার্থীরাই মূলত এ খাবারের জোগানদাতা। সব সময়ই যে সবাইকে কিছু না কিছু রাখতে হবে এমন নয়। শর্ত হলো যার যা টিফিন সব এখানেই রাখতে হবে। যে কম এনেছে সে অন্যদের টিফিনে ভাগ বসাতে পারবে। এতে করে কেউ ক্ষুধার্ত রয়ে গেল আর কেউ অতিরিক্ত খাবার নষ্ট করল, এমনটা হবে না।

বছরখানেক আগে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ একটি সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালায়। যেখানে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ ও খাবার নষ্ট না করার কিছু নতুন আইডিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তখনই ওরলান্ডো রাজ্যের ২০টি বিদ্যালয় ‘শেয়ারড টেবিল’ চালু করে।

উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এক শিক্ষার্থী টুইটারে লিখেছে, ‘আমাদের স্কুলের নতুন শেয়ারড টেবিল নিয়ে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত! আজকে সেখানে এক দল শিক্ষার্থী ২০ আইটেমের খাবার রেখেছিল অন্যদের জন্য।’

স্থানীয় এক স্কুলের শিক্ষক হিথার হলিস টুইটারে লিখেছেন, ‘বেঁচে যাওয়া খাবার শেয়ারড টেবিলে রাখার কার্যক্রম আমাদের স্কুলেও শুরু হয়েছে। খাবার নষ্ট কমাতে এটি খুবই চমত্কার কাজ করছে।’

মন্তব্য