kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

শেকৃবিতে মারামারির জের

নির্দোষ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

শেকৃবি প্রতিনিধি   

৩০ মার্চ, ২০১৯ ০২:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্দোষ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুদ্র নাথ টোটনের অনুসারীদের মধ্যে ২০ মার্চ গভীর রাতে হলের সিট দখল নিয়ে মারামারি ঘটে। এর জেরে কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম শাহরিয়ারকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে ফাহিম শাহরিয়ার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে কালের কণ্ঠকে বলেন, আমি মারামারির সময় ক্যাম্পাসে ছিলাম না। নামের মিল থাকায় দোষীকে আড়াল করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে ফাহিম শাহরিয়ারের এই অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। 

এ বিষয়ে শেকৃবি প্রশাসন নমনীয়তা দেখিয়ে বলেন, ভুল তথ্যের কারণে এই সমস্যা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আসল দোষীকে শাস্তি প্রদান করা হবে। সেই সঙ্গে ভুল তথ্যদাতাকে শাস্তি পেতে হবে। প্রক্টরিয়াল বডি কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে টোটনের অনুসারী ফাহিমুল ইসলামের মারামারিতে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। সে কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী ফাহিম শাহরিয়ার শুক্রবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি হলে থাকি না। মিরপুর ১৪ নম্বর এলাকা থেকে ক্লাস করি। মারামারি হয়েছে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে। আমি কোনো রাজনীতি করি না। আসল দোষীকে আড়াল করার জন্য আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। ফাহিমুল ইসলাম নামে একজন মারামারিতে জড়িত ছিল বলে জানতে পেরেছি। তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১৯-০৯৪৩৮। আর আমার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১৯-০৯৪২৭। আমি রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম বরাবর বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছি। ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক মিজানুর রহমানকে অবহিত করেছি। গতকাল উপ-উপাচার্য স্যারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি জানিয়েছি। তাঁরা এই সমস্যা সুরাহা করার আশ্বাস দিয়েছেন’।

ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক মিজানুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ভুল তথ্য প্রদানের কারণে এই সমস্যা হয়েছে। টোটনের অনুসারী ফাহিমুল ইসলাম (১৯-০৯৪৩৮) মারামারিতে জড়িত থাকার বিষয়ে কালের কণ্ঠের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা