kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দিনব্যাপী ‘মুক্তিসংগ্রাম’ উৎসব

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৪ মার্চ, ২০১৯ ১৬:৪৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দিনব্যাপী ‘মুক্তিসংগ্রাম’ উৎসব

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন, ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিকভাবে গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি আদায় এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ছড়িয়ে দিতে ‘মুক্তির আলোয় আলোকিত করি ভূবন’ স্লোগানে তৃতীয়বারের মতো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দিনব্যাপী ‘মুক্তিসংগ্রাম’ সাংস্কৃতিক উৎসব ২০১৯ শুরু হচ্ছে আগামীকাল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র আয়োজিত এ উৎসব চলবে আগামী ২৭ মার্চ সন্ধ্যা পর্যন্ত।

আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার শিক্ষক লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক বশির আহমেদ।

তিনি জানান, আগামীকাল (সোমবার) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া প্রাঙ্গনে তিন দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী গাজী গোলাম দস্তগীর (বীর প্রতীক)। উৎসবের অন্যান্য দিনের কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মাননীয় মন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী এ. কে. এম এনামুল হক শামীম, এম.পি এবাদুল করিম বুলবুল, এম. পি ব্যবস্থাপনা পরিচালক বীকন ফার্মাসিউটিক্যাল লিঃ ও নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, এম.পি।

বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে দিনব্যাপী থাকবে আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য সম্মাননা-স্মারক প্রদান, মঞ্চ নাটক, জাগরণের গান ও আবৃত্তি, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, আর্ট ক্যাম্প ও স্থির চিত্র প্রদর্শনী।’

তিন দিনব্যাপী উৎসবের প্রথম দিনে কাল সকাল ১০টায় (২৫ মার্চ) থাকছে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া প্রাঙ্গনে ‘মুক্তিসংগ্রাম আর্ট ক্যাম্প’ ও স্থির চিত্র প্রদর্শনী, বিকাল তিনটায় মুক্তিসংগ্রাম চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, বিকাল সাড়ে চারটায় স্মারক প্রদর্শনী, আলোচনা অনুষ্ঠান ও সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং রাত সাড়ে আটটায় মুক্তিসংগ্রামের গান ও কবিতা। এছাড়া ২৬-২৭ মার্চ উৎসবের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন থাকছে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু বিষয়ক শিশুদের চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা, মুক্তিসংগ্রাম চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা অনুষ্ঠান ও সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী জনাব ফকির আলমগীর, লে. কর্ণেল. (অব.) সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক), বীর মুক্তিযোদ্ধা ফোরকান বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাখমুদা নারগিস রত্না, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. লায়লা পারভীন বানু, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক জনাব মাজহারুল ইসলাম ও জনাব আশরাফুল আলম প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা