kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পালিত

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৭ মার্চ, ২০১৯ ১৮:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পালিত

বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠসন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের কর্মসূচী। প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর শিক্ষক সমিতি, ডিন, কর্মকর্তা পরিষদ, হল, শাখা ছাত্রলীগ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি শোভাযাত্র বের হয়, শোভাযাত্রটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গাহি সাম্যের গান’ মঞ্চে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার শুরুতে কেট কাটেন প্রধান অতিথি ও সভাপতি। এ সময় কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের কোমলমতি শিশুরাও উপস্থিত ছিল। পরে সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষার্থীরা সংগীত পরিবেশন করেন।

আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত), মহিলা আসন- ১৭ হাবিবা রহমান খান। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু মানে একটি পতাকা, একটি দেশ এবং একটি মানচিত্র। বঙ্গবন্ধু এই দেশের মানুষের জন্য বারবার কারাবরণ করেছেন। হাসি মুখে ফাঁসির মঞ্চে যেতেও তিনি ভয় পান নি। তিনি পাকিস্তানিদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন বাঙালিরা বারবার মরে না, একবার মরে। তোমরা শুধু আমার লাশটি বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিও। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধান অতিথি।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘বাঙালি জীবনের গর্বের, প্রাপ্তির এবং আশীর্বাদের দিন আজ। বঙ্গবন্ধু শুধু এদেশের নেতা হিসেবেই নয়, তিনি পৃথিবীর নিপীড়িত, বঞ্চিত ও শোষিত মানুষের নেতা ছিলেন। তিনি সকল অন্ধকার দূর করতে আলোকবর্তিকা হিসেবে এসেছিলেন।’

সভাপতি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ যদি আমরা অনুসরণ করি তাহলে আমাদের আর কিছুই করার প্রয়োজন হবে না।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুব্রত কুমার দে এবং কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সাহাবউদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর।

আলোচনা সভায় আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম এবং বঙ্গবন্ধু নীল দলের সভাপতি ড. সিদ্ধার্থ দে (সিধু)। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম বাবু এবং সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিবুল হাসান রাকিব। আলোচনায় বঙ্গবন্ধুর জীবন, আদর্শ ও অবদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আল জাবির এবং নুসরাত শারমিন তানিয়া।

বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগে ত্রিশাল পৌরসভার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পাঠ, চিত্রাঙ্কন, রচনা এবং সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা