kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

এক কোটি ২৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনছে সরকার

► ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক ► এক হাজার ৮৯৪ কোটি টাকার ১৬ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ আগস্ট, ২০২২ ০৯:৩০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এক কোটি ২৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনছে সরকার

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রির জন্য এক কোটি ২৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনছে সরকার। এ ছাড়া টিসিবির জন্য ডালও কেনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে খরচ হবে প্রায় ২০৫ কোটি টাকা। এটিসহ এক হাজার ৮৯৪ কোটি টাকার ১৬ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বিজ্ঞাপন

 

বুধবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে কমিটির ভার্চুয়াল সভায় ক্রয় প্রস্তাবগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল বারিক।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবে সরাসরি ৪০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে তেল কেনা হবে। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ধরা হয়েছে ১৭৩.৯৫ টাকা।

তিনি আরো বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অপর একটি প্রস্তাবে ৮৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই লটে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১৭১ টাকায় কেনা হবে। এডিবল অয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ২০ লাখ লিটার, বসুন্ধরা মাল্টিফুড প্রডাক্ট লিমিটেড থেকে ৩৫ লাখ লিটার এবং সিনো এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে ৩০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার। এর বাইরে সরকার স্থানীয় একাধিক কম্পানির কাছ থেকে ১১১ টাকা কেজিতে মসুর ডাল কিনবে টিসিবির জন্য। এতে খরচ হবে ৫৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

টিসিবির জন্য সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে তেল ও ডাল কেনার কারণ জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জানান, যেহেতু এসব পণ্য টিসিবির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা হবে, তাই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি জানান, টিসিবির জন্য মাসে ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল লাগে।

রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে কাতার থেকে প্রথম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড প্রিল্ড ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। কাতারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী সারের দাম পড়বে প্রতি মেট্রিক টন ৫৩৬.৫০ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড প্রিল্ড ইউরিয়া সারের মোট দাম এক কোটি ৬০ লাখ ৯৫ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫২ কোটি ৫০ লাখ এক হাজার ২৫০ টাকা।

কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কম্পানি লিমিটেড (কাফকো) বাংলাদেশের কাছ থেকে তৃতীয় লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ক্রয়ের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৫৩৩.২৫ ডলার। এতে মোট ব্যয় হবে এক কোটি ৫৯ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫১ কোটি ৫৭ লাখ ৬৩ হাজার ১২৫ টাকা।

২০২২-২৩ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরব থেকে চতুর্থ লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এতে মোট ব্যয় হবে এক কোটি ৬০ লাখ ২৯ হাজার ৯০০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫১ কোটি ৮৮ লাখ ৩৩ হাজার ২৫ টাকা।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরব থেকে পঞ্চম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে এক কোটি ৫৭ লাখ ৩৫ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪৯ কোটি আট লাখ ৯১ হাজার ২৫০ টাকা।



সাতদিনের সেরা