kalerkantho

সোমবার । ১৫ আগস্ট ২০২২ । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৬ মহররম ১৪৪৪

ঢাকা-গোয়া বিমান যোগাযোগে খুলবে পর্যটনের নতুন দিগন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ জুলাই, ২০২২ ২৩:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকা-গোয়া বিমান যোগাযোগে খুলবে পর্যটনের নতুন দিগন্ত

গোয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর মোপা

পর্যটনের শহর হিসেবে উপমহাদেশে পরিচিত ভারতের অঙ্গরাজ্য গোয়া। প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক পর্যটক ভারতের পর্যটন রাজ্যটিতে বেড়াতে যান। বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছেও অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান গোয়া। তবে যোগাযোগ জটিলতার কারণে ইচ্ছা থাকলেও অনেকে যেতে পারেন না।

বিজ্ঞাপন

ভারতে গেলেও গোয়া যেতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। এই ভোগান্তির অবসান হতে চলেছে দ্রুত। ঢাকা-গোয়া সরাসরি বিমান চলাচল চালু করতে পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত।

সম্প্রতি গোয়ায় অনুষ্ঠিত এক ব্যাবসায়িক সম্মেলনে বাংলাদেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের অনুরোধে সরাসরি ঢাকা-গোয়া বিমান সেবা চালুর প্রতিশ্রুতি দেন মুখ্যমন্ত্রী। এ পদক্ষেপ আলোর মুখ দেখলে পর্যটনের পাশাপাশি দুই দেশের ব্যাবসায়িক সম্পর্ক আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

পশ্চিমের আরব সাগরের তীরে অবস্থিত গোয়া খুব জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র, যা সোনার সৈকত, ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ এবং পুরনো গির্জার জন্য বিখ্যাত। পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকরা ভিড় জমান এখানে। জানা গেছে, দীর্ঘ প্রায় চার শতাব্দী ধরে এলাকাটি শাসন করেছিল পর্তুগিজরা। গোয়া ভারতের কঙ্কন অঞ্চলে রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ রয়েছে। বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত নিয়ে গোয়া পরিচিতি পাবে। ফলে বাংলাদেশ পর্যটক আকর্ষণের ক্ষেত্রে বড় বাজার সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে। বর্তমানে ঢাকা থেকে সরাসরি গোয়া কোনো বিমান সেবা চালু নেই। বাংলাদেশি নাগরিকদের গোয়া যেতে হয় দিল্লি বা কলকাতা হয়ে। ফলে ভোগান্তি পোহাতে হয় সবাইকে। গোয়া বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র হওয়ায় ব্যাবসায়িক অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ফলে বাংলাদেশের ভ্রমণপিপাসু মানুষ যেমন যায়, তেমনি সেখানে ব্যবসায়ীরাও যান। সেখানে যেতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়। কেউ বাংলাদেশ থেকে কলকাতা হয়ে সড়কপথে যায়। সেটাও অনেক দীর্ঘ ভ্রমণ। সেই সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যাবসায়িক শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ।

এই বিমান সেবা চালু হলে বাংলাদেশের সঙ্গে গোয়ার ব্যাবসায়িক সম্পর্ক জোরদার হবে। সেখানকার ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে আসতে পারবেন। বাংলাদেশের উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা খাতেও দুই দেশের বন্ধুত্ব আরো সুদৃঢ় হবে।



সাতদিনের সেরা