• ই-পেপার

প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাত দ্রব্যের দাম তেমন বাড়েনি

গোলকধাঁধায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য মোকাবেলায় তিন কৌশল

অনলাইন ডেস্ক
গোলকধাঁধায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য মোকাবেলায় তিন কৌশল

প্রস্তাবিত বাজেটে প্রাক্কলিত ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে ব্যাপকভাবে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই বিনিয়োগ বাড়াতে প্রচুর মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি করতে হবে। আমদানি ব্যয় দ্রুত বাড়লে চাপে পড়বে নিট রপ্তানি আয়। নিট রপ্তানি কমলে আবার জিডিপি প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাবে। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর ওষুধটিই সাময়িকভাবে প্রবৃদ্ধিকে কিছুটা কমিয়ে দেবে। দেশের অর্থনৈতিক সংকট এমন এক পরিস্থিতিতে পড়েছে, যা থেকে বেরোনোর পথ খুঁজছে সরকার। এই পরিস্থিতিকে ‘প্রবৃদ্ধির গোলকধাঁধা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক মুস্তফা কে মুজেরী। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো এমন এক সংকটকাল পার করছে যে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য গৃহীত উদ্যোগের ফলে আবার প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পারে।

এটিকে গোলকধাঁধার ফাঁদ বলা যায়। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে রপ্তানি আয় বাড়ানোর কৌশল গ্রহণ করতে হবে।

যেভাবে তৈরি হয় গোলকধাঁধার ফাঁদ : অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজেটের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনে সরকারি বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সরকার গভীর সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সড়ক, সেতুসহ বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো বানিয়ে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে চায়। বাংলাদেশ যেহেতু ভারী যন্ত্রপাতি বা হাই-টেক প্রযুক্তি নিজে তৈরি করে না, তাই বাধ্য হয়ে এগুলো বিদেশ থেকে বিপুল ডলারে আমদানি করতে হয়। এই বিপুল আমদানি ব্যয়ের কারণে খাতাকলমে ‘নিট রপ্তানি’ ঋণাত্মক হয়ে যায়, যা সাময়িকভাবে জিডিপির প্রবৃদ্ধি টেনে নামায়। এতে করে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে গিয়ে প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার এক অদ্ভুত চক্র তৈরি হয়।

নিট রপ্তানি কমলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কেন কমবে : একটি দেশের মোট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা জিডিপি হিসাব করা হয় মূলত চারটি উপাদানের যোগফল দিয়ে। সাধারণ মানুষের খরচ + বেসরকারি বিনিয়োগ + সরকারি খরচ + নিট রপ্তানি (রপ্তানি থেকে আমদানি ব্যয় বাদ দিয়ে যা হয়)। এখন আমদানি বেড়ে যাওয়ার কারণে যদি নিট রপ্তানি ঋণাত্মক হয়, তবে তা জিডিপি থেকে যোগ না হয়ে বাদ যাবে। ধরা যাক, একটি দেশের ভিতরের সব খরচ ও বিনিয়োগ মিলে হলো ১০০ টাকা। আর দেশটিতে রপ্তানি হয় ২০ টাকার এবং আমদানি হয় ১০ টাকার। তাহলে নিট রপ্তানি হলো (+১০) টাকা। দেশের মোট জিডিপি হবে : (১০০ + ১০ = ১১০) টাকা। এবার আমদানির চাপ বাড়লে পরের বছর সরকারি বিনিয়োগের জন্য প্রচুর যন্ত্রপাতি আমদানি করতে হলো। আমদানি বেড়ে হলো ৩০ টাকা। কিন্তু রপ্তানি আগের মতোই ২০ টাকাই রয়ে গেল। এখন নিট রপ্তানি দাঁড়াল : (২০ - ৩০ = (-১০) টাকা। এবার দেশের জিডিপি হবে : (১০০ + (-১০) = ৯০ টাকা। খোদ অর্থ মন্ত্রণালয় নিজেও প্রবৃদ্ধির এই গোলকধাঁধার বিষয়টি স্বীকার করেছে। বাজেট পুস্তিকার সঙ্গে দেওয়া অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতিতে বিষয়টি তুলে ধরে বলা হয়েছে, ‘দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সরকারি বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য মানবসম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত অগ্রাধিকার খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর মাধ্যমে। সরকারি বিনিয়োগের জন্য প্রচুর মূলধনি পণ্য আমদানি করতে হবে। আমদানি প্রবৃদ্ধি রপ্তানি প্রবৃদ্ধির চেয়ে দ্রুত বাড়বে। এর ফলে নিট রপ্তানির ওপর চাপ তৈরি হবে, যা প্রতি বছর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রায় ০ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১ দশমিক ৪ শতাংশ পয়েন্ট কমিয়ে দেবে।’

নীতি বিবৃতি পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়াতে যে কৌশল গ্রহণ করছে সরকার, সেই কৌশলের কারণেই আবার জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এটিকেই ‘প্রবৃদ্ধির গোলকধাঁধা ফাঁদ’ হিসেবে অভিহিত করছেন বিশেষজ্ঞরা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এটিকে ফাঁদ না বলে ‘উন্নয়নের প্রসববেদনা’ বলে অভিহিত করছেন। তাঁরা বলছেন, এটি একটি সাময়িক রূপান্তরকালীন সমস্যা। চলমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারের গৃহীত উদ্যোগের কারণে সাময়িকভাবে প্রবৃদ্ধি কমার শঙ্কা তৈরি হলেও মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে।

তিন কৌশল সরকারের : এ অবস্থায় জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে তিনটি কৌশল নিয়েছে সরকার। এগুলো হলো : ১. অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেসরকারি বিনিয়োগ কার্যকরভাবে উৎসাহিত করা; ২. রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং মূলধনি পণ্য তৈরিতে নিজস্ব উৎপাদনক্ষমতা বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং ৩. প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা ধাপে ধাপে বাড়ানো, যাতে সরকারি বিনিয়োগের সুফল দেশের উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধিতে পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নীতি বিবৃতিতে এই কৌশল তিনটি তুলে ধরা হয়েছে।

এম কে মুজেরি বলেন, প্রবৃদ্ধির গোলকধাঁধার ফাঁদ থেকে বেরোতে চাইলে সরকারকে ব্যাপকভাবে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য নীতি ও অবকাঠামো সহায়তা বাড়াতে হবে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়লে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়বে, যা প্রবৃদ্ধি বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া আমদানি যাতে চাপ সৃষ্টি না করতে পারে, সে লক্ষ্যে পণ্য বৈচিত্র্যকরণের মাধ্যমে রপ্তানি আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এই চিফ ইকোনমিস্ট বলেন, ‘আমাদের দেশের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ রপ্তানি আয় পোশাক খাতের ওপর নির্ভরশীল; এই নির্ভরশীলতা কমাতে ওষুধ, চামড়া, নির্মাণ উপকরণ, প্রক্রিয়াজাত কৃষি ও খাদ্যপণ্য, হালকা প্রকৌশলসহ সম্ভাবনাময় রপ্তানি পণ্যে নীতি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।’

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

৪৩ মাসের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪৩ মাসের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ
সংগৃহীত ছবি

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) থেকে বাজেট সহায়তার ১০০ কোটি ডলার ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ। এতে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বেড়ে রবিবার ৩৫ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। গত ৪৩ মাসের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।

সম্প্রতি কয়েকবার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠলেও তা এ পর্যায়ে উঠেনি। গত বৃহস্পতিবার রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার। আওয়ামী লীগ পতনের সময় যা ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়নে নেমেছিল।

গ্রস রিজার্ভের পাশাপাশি আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী–রবিবার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক শুন্য ৭ বিলিয়ন ডলার। এর আগে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছিল। ২০২৩ সালের জুন থেকে বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ওই সময় রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অর্থপাচার বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে সেখান থেকে দ্রুত কমতে থাকে। একই সঙ্গে ৮৪ টাকার ডলারের দর বেড়ে ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ কমে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নামে। আজ প্রথমবারের মতো যা ৩১ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছে।

২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবাহ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের ১০ জুন পর্যন্ত মোট ৩৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৫০ কোটি ডলার বা ১৯ দশমিক ৩১ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল প্রায় ২৭ শতাংশ। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্বস্তিতে রয়েছে। 

এর আগে ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকা রিজার্ভ বেড়ে এ পর্যায়ে উঠেছে। এর আগে সর্বশেষ ২০২২ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছিল। এরপর ধারাবাবিহকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে নেমে যায়। সেখান থেকে বেড়ে চলতি বছরের নভেম্বরে প্রথম ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পর্ষদ বাতিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পর্ষদ বাতিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

দেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের সব সদস্যের নিয়োগ বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ক্ষমতাবলে রবিবার (১৪ জুন) এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আমানতকারীদের স্বার্থে ও জনস্বার্থে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক কম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৭(৩) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আমানতকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং ব্যাংকের আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শিগগিরই ব্যাংকটিতে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন পেশাদার পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হবে।

এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি

অনলাইন ডেস্ক
এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশকে এক বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা) বাজেট সহায়তা দিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বেড়ে ফের সাড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৪ জুন পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবপদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার।

গত সপ্তাহে, অর্থাৎ ১০ জুন মোট রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩০ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার। 

তবে মোট রিজার্ভের পুরোটা ব্যবহারযোগ্য নয়। স্বল্পমেয়াদি দায় ও অন্যান্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ থাকে, সেটিই অর্থনীতির জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ ব্যাংক অভ্যন্তরীণভাবে ‘ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ’ হিসাব করে, যেখানে আইএমএফের এসডিআর, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাব এবং আকুর বিলের মতো কিছু খাত বাদ দেওয়া হয়। যদিও এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয় না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার। প্রতি মাসে গড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় ধরা হলে, এ রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে পাঁচ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সাধারণত অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভকে নিরাপদ ধরা হয়।

প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাত দ্রব্যের দাম তেমন বাড়েনি | কালের কণ্ঠ