kalerkantho

শনিবার । ২ জুলাই ২০২২ । ১৮ আষাঢ় ১৪২৯ । ২ জিলহজ ১৪৪৩

৮ মাসে সর্বোচ্চ প্রবাস আয়, রমজান উপলেক্ষে বেড়েছে ২৫ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ এপ্রিল, ২০২২ ১০:৪০ | পড়া যাবে ৭ মিনিটে



৮ মাসে সর্বোচ্চ প্রবাস আয়, রমজান উপলেক্ষে বেড়েছে ২৫ শতাংশ

চলতি অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো প্রবাস আয় বা রেমিট্যান্স কমতে শুরু করেছে। তবে রমজান সামনে রেখে গত মার্চে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২৫ শতাংশ, যা গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৪৯ কোটি ডলার। এক মাসের ব্যবধানে মার্চে তাঁরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৮৬ কোটি ডলার (১.৮৬ বিলিয়ন ডলার)।

বিজ্ঞাপন

সে হিসাবে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৪.৪৫ শতাংশ। তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মার্চে রেমিট্যান্স কমেছে ২.৬৬ শতাংশ। ওই সময়ে করোনার প্রভাব বেশি থাকায় প্রবাসীরা অধিক পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রমজান সমনে রেখে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েছে। এ ছাড়া রেমিট্যান্সে সরকারের বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা এবং নতুন করে অনেকে বিদেশে যাওয়ায় এর প্রবাহ বেড়েছে।

২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। অর্থাৎ কোনো প্রবাসী ১০০ টাকা দেশে পাঠালে তার সঙ্গে আরো দুই টাকা যোগ করে মোট ১০২ টাকা পাচ্ছেন সুবিধাভোগী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) দেশে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৫২৯ কোটি ৮৫ লাখ ডলার (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ২০ পয়সা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ এক লাখ ৩১ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা)। এ অঙ্ক আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৩০ কোটি বা প্রায় ১৮ শতাংশ কম। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৮৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার।

২০২০-২১ অর্থবছরের পুরো সময়ে রেমিট্যান্সের উল্লম্ফন ছিল। ওই অর্থবছরে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে দুই হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৬.১০ শতাংশ বেশি ছিল। গত অর্থবছরের ১২ মাসের মধ্যে সাত মাসেই ২০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, মার্চে ১৮৬ কোটি ডলার ব্যাংকিং চ্যানেলে আসা রেমিট্যান্সের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৩ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। বিশেষায়িত দুটি ব্যাংকের মধ্যে একটিতে এসেছে তিন কোটি ডলার। অন্যটিতে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এ ছাড়া বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪৮ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৮৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ, আগস্টে ১৮১ কোটি, সেপ্টেম্বর মাসে ১৭২ কোটি ৬৭ লাখ, অক্টোবরে ১৬৪ কোটি ৬৮ লাখ, নভেম্বর ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ, ডিসেম্বরে ১৬৩ কোটি, জানুয়ারিতে ১৭০ কোটি ৪৫ লাখ এবং ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসীরা পাঠান ১৪৯ কোটি ডলার।

চলতি অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো প্রবাস আয় বা রেমিট্যান্স কমতে শুরু করেছে। তবে রমজান সামনে রেখে গত মার্চে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২৫ শতাংশ, যা গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৪৯ কোটি ডলার। এক মাসের ব্যবধানে মার্চে তাঁরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৮৬ কোটি ডলার (১.৮৬ বিলিয়ন ডলার)।

 

বিজ্ঞাপন

সে হিসাবে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৪.৪৫ শতাংশ। তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মার্চে রেমিট্যান্স কমেছে ২.৬৬ শতাংশ। ওই সময়ে করোনার প্রভাব বেশি থাকায় প্রবাসীরা অধিক পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রমজান সমনে রেখে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েছে। এ ছাড়া রেমিট্যান্সে সরকারের বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা এবং নতুন করে অনেকে বিদেশে যাওয়ায় এর প্রবাহ বেড়েছে।

kalerkantho২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। অর্থাৎ কোনো প্রবাসী ১০০ টাকা দেশে পাঠালে তার সঙ্গে আরো দুই টাকা যোগ করে মোট ১০২ টাকা পাচ্ছেন সুবিধাভোগী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) দেশে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৫২৯ কোটি ৮৫ লাখ ডলার (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ২০ পয়সা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ এক লাখ ৩১ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা)। এ অঙ্ক আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৩০ কোটি বা প্রায় ১৮ শতাংশ কম। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৮৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার।

২০২০-২১ অর্থবছরের পুরো সময়ে রেমিট্যান্সের উল্লম্ফন ছিল। ওই অর্থবছরে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে দুই হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৬.১০ শতাংশ বেশি ছিল। গত অর্থবছরের ১২ মাসের মধ্যে সাত মাসেই ২০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, মার্চে ১৮৬ কোটি ডলার ব্যাংকিং চ্যানেলে আসা রেমিট্যান্সের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৩ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। বিশেষায়িত দুটি ব্যাংকের মধ্যে একটিতে এসেছে তিন কোটি ডলার। অন্যটিতে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এ ছাড়া বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪৮ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৮৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ, আগস্টে ১৮১ কোটি, সেপ্টেম্বর মাসে ১৭২ কোটি ৬৭ লাখ, অক্টোবরে ১৬৪ কোটি ৬৮ লাখ, নভেম্বর ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ, ডিসেম্বরে ১৬৩ কোটি, জানুয়ারিতে ১৭০ কোটি ৪৫ লাখ এবং ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসীরা পাঠান ১৪৯ কোটি ডলার।



সাতদিনের সেরা