kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধের দাবি বিডিএফএ'র

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৫:৪২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধের দাবি বিডিএফএ'র

খামারিদের রক্ষার্থে দ্রুত সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ)। এটি বন্ধ না হলে দেশের ডেইরি, পোল্ট্রি ও মৎসসহ প্রাণিসম্পদ খাতে খাদ্য দাম বেড়ে যাবে। এতে করে খামারিরা বড় ধরনের লোকসানে পড়বে।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে 'সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধ করুন ডেইরি পোল্ট্রি ও মৎস শিল্প রক্ষা করুন' শীর্ষক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আলী আজম রহমান শিবলী, সাধারণ সম্পাদক শাহ এমরান, অর্থ সম্পাদক জাফর আহমেদ পাটোয়ারী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজিব উল্লাহ, বাংলাদেশ ফিস ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি এ.কে এম সালাউদ্দিন সরকারসহ দেশের খামার মালিক সমিতির সদস্যরা।

বিডিএফএ'র সভাপতি আরো বলেন, 'সয়াবিন রপ্তানি দেশের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তের কারণে দেশের পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতে ব্যাপক লোকসানে পড়বে।'

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, 'সয়াবিন মিল রপ্তানি রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার' গণমাধ্যমে এমন খবরে স্থানীয় সয়াবিন মিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সয়াবিন মিলের দাম কেজি প্রতি ১০-১২ টাকা বৃদ্ধি করেছে। সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় সয়াবিন মিল রপ্তানী বন্ধ ঘোষণা দ্রুত দেয়া দরকার। নইলে দেশের পোল্ট্রি, মৎস্যসহ প্রাণিসম্পদ খাতে খাদ্য দাম বেড়ে যাবে। খামারিরা বড় ধরণের লোকসানে পড়বে।

বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। দেশের ক্রমবর্ধমান প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে গবাদিপশু ও হাঁসমুরগির টেকসই জাত উন্নয়ন ও রোগ নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে মংস, দুধ ও ডিমের উৎপাদন অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত দশকে মাংসের উৎপাদন প্রায় ৭ গুন, দুধের উৎপাদন ৪.৬৭ গুন এবং ডিমের উৎপাদন প্রায় ৪ গুন বৃদ্ধি পেয়ে। বর্তমানের ২০১৯২০ অর্থবছরে মাংস, দুধ ও ডিমের বাৎসরিক উৎপাদন হয়েছে যথাক্রমে ৭৬.৭৫ লক্ষ মেটন, ১০৬.৮০ লক্ষ মেটন এবং ১৭৩৬ কোটি। জনপ্রতি প্রতিদিন ১২০ গ্রাম মাংস এবং সপ্তাহে ২টি ডিম সরবরাহে আমরা ইতিমধ্যেই স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। দুধে জনপ্রতি প্রাপ্যতা ১৭৫ মিলিতে উন্নিত হয়েছে। এই সকল অর্জন সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রি শেখ হাসিনা সুদুরপ্রসারী পরিকল্পনা ও দিক নির্দেশনা প্রদানের জন্য।

পাশাপাশি বিদেশ থেকে প্যাকেটজাত ফ্রোজেন মাংস আমদানী বন্ধ, খামারিদের বিদ্যুৎ বিল কৃষি আওতায়ভুক্ত, তরল দুধের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করন, পশুখাদ্যের দাম কমানোর লক্ষ্যে টিসিবি এর আওতায় সরবারহ করলে দেশে দুধ ও মাংস শিল্পের উন্নয়ন তরান্বিত হবে বলেও সম্মেলনে নেতারা জানান।



সাতদিনের সেরা