kalerkantho

সোমবার । ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৪ জুন ২০২১। ২ জিলকদ ১৪৪২

তুরস্কে প্রথম বাংলাদেশি উদ্যোক্তার রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ মার্চ, ২০২১ ২১:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তুরস্কে প্রথম বাংলাদেশি উদ্যোক্তার রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরু

তুরস্কের বাণিজ্যিক রাজধানী, প্রকৃতি আর ইতিহাসে সমৃদ্ধ শহর ইস্তাম্বুলে যাত্রা শুরু করল বাংলাদেশি মালিকানার ক্যাফে ও রেস্টুরেন্ট ‘এশিয়া লাউঞ্জ’। তুরস্কের মধ্যে এই প্রথম বাংলাদেশি উদ্যোক্তার আন্তর্জাতিকমানের রেস্টুরেন্টের সূচনা হলো।

দেশটির সরকারি শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন তুরস্কের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক হেলালী ব্যক্তিগত উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে।

গত ৯ মার্চ ইস্তাম্বুলের প্রাণকেন্দ্রে ঐতিহাসিক ফাতিহ মসজিদের পাশে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে উদ্বোধন করা হয় ক্যাফে ও রেস্টুরেন্ট ‘এশিয়া লাউঞ্জ’।

তুরস্কের আন্তর্জাতিক ছাত্র ফেডারেশন (UDEF) এর প্রেসিডেন্ট ড. মেহমেত আলী বোলাত প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন। দেশি-বিদেশি ছাত্র, ব্যবসায়ী, পর্যটক, টার্কিশ নাগরিক এবং কমিউনিটি নেতারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে এশিয়া লাউঞ্জের উদ্যোক্তা ও সিইও ওমর ফারুক হেলালী বলেন, বেশিরভাগ হিপ ক্যাফে কিংবা ব্যয়বহুল রেস্তোরাঁর মতো। শুধুমাত্র মুনাফার জন্য এই ব্যবসা নয় বরং এই রেস্টুরেন্ট তুরস্কের মতো অসাধারণ একটি দেশে উপমহাদেশের আন্তরিকতা, উদারতা এবং সৌন্দর্যের পরিচয় তুলে ধরার জন্য দীর্ঘ দিনের লালিত একটি স্বপ্ন। এটি সাধারণ একটি ক্যাফে বা রেস্তোঁরার চেয়েও বেশি কিছু। সংস্কৃতির মেলবন্ধন কেন্দ্র, বাংলাদেশি কমিউনিটির সম্মিলন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

এশিয়া লাউঞ্জে বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী সব খাবার এবং সুস্বাদু হালকা পানীয়। ক্যাফেতে থাকবে ট্যাডিশনাল চা, কফি থেকে শুরু করে তুরকিশ কফি, এস্প্রেসো, আমেরিকানো, ব্ল্যাক কফি, লাত্তে, স্পেশাল ক্রিম কফি, ইত্যাদি সকল পানীয়। সেই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার ঐতিহ্য, অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা, শিল্প ও অমায়িক আতিথেয়তার মধ্য দিয়ে পাওয়া যাবে বাঙালিপনার একটি পরিপূর্ণ আমেজ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দোয়া আর মিষ্টিমুখের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করে এশিয়া লাউঞ্জ। উদ্বোধনী দিন থেকেই অনেক পর্যটক, টার্কিশ নাগরিক এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষের আগমন হচ্ছে রেস্টুরেন্টটিতে।



সাতদিনের সেরা