kalerkantho

শনিবার । ২৭ চৈত্র ১৪২৭। ১০ এপ্রিল ২০২১। ২৬ শাবান ১৪৪২

প্রতিবছর গড়ে ১০ দশমিক ১ শতাংশ হারে শ্রমিকদের আয় বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০২১ ০৪:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতিবছর গড়ে ১০ দশমিক ১ শতাংশ হারে শ্রমিকদের আয় বেড়েছে

মোস্তাফিজুর রহমান, সম্মানীয় ফেলো, সিপিডি (ফাইল ছবি)

প্রতিবছর গড়ে ১০ দশমিক ১ শতাংশ হারে শ্রমিকদের আয় বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ২০২০ সাল পর্যন্ত ছয় বছরে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের মাসিক আয় ৬৭ দশমিক ১৮ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবছর গড়ে ১০ দশমিক ১ শতাংশ হারে শ্রমিকদের আয় বেড়েছে। শনিবার তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর উদ্যোগে পরিচালিত জরিপ গবেষণার প্রতিবেদন নিয়ে এক অনলাইন আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মত তুলে ধরেন।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এশিয়ান সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্টের (এসিডি) পরিচালক ও অর্থনীতির অধ্যাপক এ কে এনামুল হক গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ২০২০ সালে শ্রম বিক্রি করে একজন শ্রমিকের গড় আয় দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৪০২ টাকা, যা ২০১৪ সালে ছিল ছয় হাজার ৮২০ টাকা, প্রতিবছর গড়ে ৭ শতাংশ হারে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে। তার সঙ্গে আয় সমন্বয় করা হলে শ্রমিকদের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে না কমেছে, সেটা সঠিকভাবে বলা যেত। তবে আমি মনে করি, ক্রয়ক্ষমতা এতটা বাড়েনি।

এর উত্তরে এনামুল হক বলেন, শ্রমিকদের মাসিক ব্যয়ের ধরন বিশ্লেষণ করলে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন বোঝা যায়। ছয় বছরে খাদ্য বা বাসস্থানে তাদের তেমন ব্যয় বাড়েনি। কিন্তু প্রসাধনী কেনায় অথবা ভ্রমণ ব্যয় বেড়েছে।

জরিপের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, গত ছয় বছরে বাড়িভাড়া এবং বিদ্যুৎ-পানি খাতে শ্রমিকের গড় খরচ তিন হাজার ৪১০ টাকা থেকে মাত্র ২ শতাংশ বেড়ে তিন হাজার ৮৭৮ টাকা হয়েছে। একইভাবে খাদ্য খাতে ব্যয় বেড়েছে ৪ শতাংশ। কিন্তু প্রসাধনী ক্রয় খাতে খরচ ১২ শতাংশ এবং ঘোরাঘুরিতে ২৩ শতাংশ বেড়েছে।

অধ্যাপক এনামুল হক বলেন, ১৬০টি কারখানার এক হাজার ১১৯ জন শ্রমিকের ওপর এই জরিপ গবেষণা চালানো হয়।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি রুবানা হক বলেন, 'পরিস্থিতি আরো ভালো হতে পারত, যদি বিদেশি ক্রেতারা আমাদের পণ্যের আরো ভালো দাম দিতেন।'

ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান সম্পাদক জাফর সোবহান, বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক, শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব কে এম আব্দুস সালাম, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বাংলাদেশ প্রধান তৌমো পৌতিনিয়েন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনজি তিরিংক আলোচনায় অংশ নেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা