kalerkantho

শনিবার। ২ মাঘ ১৪২৭। ১৬ জানুয়ারি ২০২১। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

শিল্প সচিব কে এম আলী আজম বললেন

‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই’

কোভিড-১৯ (করোনা) ভাইরাস পরিস্থিতিতেও ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের (এনপিও) কার্যক্রম পরিচালনায় যে ক্ষতি হয়েছে তার গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে অনলাইন প্লাটফরমের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, আলোচনা সভাসহ সকল কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এছাড়া, এশিয়ান প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন কর্তৃক আয়োজিত সকল আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে নিয়মিত ভার্চূয়ালি অংশগ্রহণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্লান ২০২১-২০৩০ বাস্তবায়ন কমিটির অ্যাকশন প্ল্যানটি প্রস্তুত করার কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের ৮ম পঞ্চ বার্ষিক পরিকল্পনায় ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্লান ২০২১-২০৩০ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় উৎপাদনশীলতা কার্যনির্বাহী কমিটির ২১তম ভার্চূয়ালি সভায় আজ পূর্ববর্তী সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে এসব কথা জানানো হয়। শিল্প সচিব কে এম আলী আজম এতে সভাপতিত্ব করেন।

সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব লুৎফুন নাহার বেগম, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো: মোশতাক হাসান এনডিসি, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ রইছ উদ্দিন, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফুর রহমান অপু, এনপিও’র পরিচালক নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার, বিসিআইসি’র পরিচালক মোঃ শাহীন কামাল, নাসিব সভাপতি মির্জা নুরুল গণি শোভন এবং ডিসিসিআই, এফবিসিসিআই, এমসিসিআই, বিসিআই, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন, বিকেএমইএ, বিটিএমসিসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ট্রেডবডির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় পূর্ববর্তী সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে আরো জানানো হয়, এনপিও’র প্রশিক্ষণ পরবর্তী গবেষণা “Effectiveness of Productivity Improvement  Training Program of NPO” এবং বাংলাদেশ লেদার সেক্টরে “Bangladesh Leather Sector-Condition Challenges and Strategies” শীর্ষক গবেষণা দু’টির কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

সভায় আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় জানানো হয়, এনপিও’র তত্বাবধানে জেলা পর্যায়ে যে সকল আলোচনা সভা, সেমিনার, কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সচেতনতা কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে।
 
উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে শিল্প সচিব কে এম আলী আজম বলেন, ২০৪১ সালকে স্পর্শ করতে হলে,  শিল্পে সেক্টরের প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে হবে। সে লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে যে কলাকৌশল গ্রহণ করেছে, আমাদেরকে সেই কলাকৌশল জানতে হবে এবং আমাদের দেশে আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় তা বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনায় যুক্ত করে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা