kalerkantho

সোমবার । ১১ মাঘ ১৪২৭। ২৫ জানুয়ারি ২০২১। ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ঘুরে দাঁড়াতে চান কেরানীগঞ্জের ব্যবসায়ীরা

শীত ঘিরে সরগরম গার্মেন্টপল্লী

আলতাফ হোসেন মিন্টু, কেরানীগঞ্জ    

১৮ নভেম্বর, ২০২০ ০৯:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শীত ঘিরে সরগরম গার্মেন্টপল্লী

আর কয়েকদিন পরেই আসছে শীত। করোনায় লোকসান কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন কেরানীগঞ্জের গার্মেন্টপল্লীর ব্যবসায়ীরা। তাই শীত মৌসুমকে সামনে রেখে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে দেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টপল্লী।

সরেজমিনে কয়েকটি কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে চলছে শীতের পোশাক তৈরির চূড়ান্ত প্রস্তুতি। সব বয়সের মানুষের জন্য নানা ধরনের পোশাক তৈরিতে দিন-রাত কাজ করছেন কারিগররা। ছেলেদের জ্যাকেট, কোট, মেয়েদের সোয়েটার, কার্ডিগেন, বাচ্চাদের বাহারি রঙের শীতের পোশাকসহ সবই তৈরি হচ্ছে এখানে। নাওয়া-খাওয়া ভুলে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন কারিগররা। কেউ কাপড় কাটছেন, কেউ জামা সেলাই করছেন, কেউ প্যাকেটিং করছেন, কখন সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হচ্ছে সেই খবর নেই তাঁদের।

আমান উল্লা নামের এক কারখানা মালিক বলেন, ‘একটা সিজন কাজ করতে পারি নাই। ধারদেনা করে সংসার ও কারিগর চালাতে হয়েছে। ইনশাআল্লাহ শীতের কাজ করে সব ধারদেনা শোধ করতে পারব।’

কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টপল্লীর আগানগর ও শুভাঢ্যায় প্রায় ছয় হাজার শোরুম রয়েছে। এসব শোরুম থেকে পাইকারি পোশাক কিনতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ক্রেতারা আসেন। শোরুমগুলোতেও এরই মধ্যে উঠেতে শুরু করেছে শীতের বাহারি পোশাক। প্রতিটি শোরুমে ঝুলছে নানা রঙের নানা সাইজের শীতের পোশাক। দাম কম, সেই সঙ্গে গুণগত মান অনেক ভালো এখানকার শীতের পোশাকের।

কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজি মুসলিম ঢালী বলেন, ‘আমাদের গার্মেন্টপল্লী রোজার ঈদের পরপরই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারের নির্দেশ মোতাবেক চালু হয়েছে। এরই মধ্যে শীত মৌসুমের বেচাকেনা শুরু হয়ে গেছে। করোনার কারণে বিভিন্ন দেশ থেকে শীতের পোশাক এসেছে কম। তাই আমাদের কেরানীগঞ্জের তৈরি পোশাকের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। গত এক সপ্তাহে যে বেচাকেনা হয়েছে এমন চলতে থাকলে কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টপল্লীর জন্য আমি ভালো কিছুই দেখছি’।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা