kalerkantho

সোমবার । ১১ মাঘ ১৪২৭। ২৫ জানুয়ারি ২০২১। ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪২

করোনায় ব্যাপক ক্ষতিতে লজিস্টিক খাত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ নভেম্বর, ২০২০ ২২:২৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনায় ব্যাপক ক্ষতিতে লজিস্টিক খাত

‘লজিস্টিক ইন দ্যা টাইম অব কভিড-১৯’ শীর্ষক শিরোনামে জিম ডিজিটাল ট্রাক-এর আয়োজনে অনলাইনে একটি ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে অংশ নেন জিম ডিজিটাল ট্রাকের ইযোগাযোগ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলমগীর আলভি ও দারাজের চিফ অপারেটিং অফিসার খন্দকার তাসফিন আলম। ই-যোগাযোগ লিমিটেডের মার্কেটিং ম্যানেজার আবরার আহাসান চৌধুরী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

ওয়েবিনারে বক্তারা করোনা মহামারীতে লজিস্টিকখাত কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; এ থেকে উত্তরণের পথ এবং আলোচিত নিউ নরমালে পরিবহন খাত কেমন হতে পারে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন।

ই-যোগাযোগ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলমগীর আলভি বলেন, কভিডের সময় লজিস্টিক খাতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মার্চ-এপ্রিল মাসে আমাদের সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে আমাদের ভিন্ন উপায়ে একটি উত্তরণের পথ খুঁজে বের করতে হয়েছে। সেকেন্ড ওয়েভে করোনা মহামারী আবার বিশ্বে আঘাত আনবে এবং কিছু দেশ লকডাউন দিয়েছে আরো কিছু দেশ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তবে এবার মনে হচ্ছে আমাদের দেশে প্রথমবারের তুলনায় লজিস্টিক খাতে কম প্রভাব পড়বে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের লজিস্টিক খাতে নিয়োজিত সবারই প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী নিশ্চিত করতে হবে। তাদের পরিবারের নিরাপত্তাও এর মাধ্যমে নিশ্চিত হবে। আমরা আশা করছি জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই আমাদের দেশে কভিডের ওষুধ চলে আসবে। তাই সামনের দুই-তিন মাস আমাদের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং। প্রথমবার কভিডের সময় যে ভুলগুলো হয়েছে এবার যেন সেটা না হয় সে বিষযে সচেতন থাকতে হবে।

আলভি আরো বলেন, জিম ডিজিটাল ট্রাক শুরু থেকেই পরিবহন খাতে মানসম্মত সেবা দিয়ে আসছে। আমাদের সকল ধরনের কাস্টমার রয়েছে; ভিন্ন পণ্যের জন্য ভিন্ন ধরণের ট্রাকের প্রয়োজন হয়। কভিড-১৯ এর এই দুঃসময়ে জিম অ্যাপ ব্যবহার করে তারা খুব সহজেই তাদের লজিস্টিকস ম্যানেজমেন্টের কাজটি করেছেন। কাজেই লজিস্টিকস ইন্ডাস্ট্রিকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে প্রযুক্তিই হতে পারে মূল ভরসার জায়গা।

দারাজের চিফ অপারেটিং অফিসার খন্দকার তাসফিন আলম, কভিডের সময় লজিস্টিকখাতে যারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছেন, সেটি খুবই চ্যালেঞ্জিং একটি বিষয় ছিল। দারাজের লজিস্টিকস টিম এই সময়েও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে সামাজিক দূরত্ব মেনে পণ্য ডেলিভারি সেবা চালু রেখেছে। করোনায় অনেক নেতিবাচকের মধ্যে এটি ছিল ব্যবসায়ের জন্য একটি ইতিবাচক দিক। কভিডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর খুবই অল্প সময়েই আমরা নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, একটা সময় স্বশরীরে অনেক সময় নিয়ে ট্রাক ভাড়া করতে হতো। কভিড-১৯ আসার কারণে আমরা অন্য মাধ্যম খুঁজতে গিয়ে বুঝেছি ডিজিটাল লজিস্টিকস কতটা গুরুত্বপূর্ণ। নিউ নরমালে ডিজিটাল লজিস্টিকসই হতে পারে পরিবহন খাতের মূল চালিকাশক্তি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা