kalerkantho

রবিবার । ৯ কার্তিক ১৪২৭। ২৫ অক্টোবর ২০২০। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ডিজিটাল ট্রেড উইক শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ অক্টোবর, ২০২০ ২০:২৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ডিজিটাল ট্রেড উইক শুরু

তৈরি পোশাক খাতে বাণিজ্যের ডিজিটাইজেশনের সূচনা করতে আজ বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে ডজিটাল ট্রেড উইক। চলবে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত। বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে এই আয়োজন। দেশের রপ্তানি খাতকে প্রসারিত করতে ডিজিটাল ট্রেড উইকের আয়োজন করেছে অনলাইনভিত্তিক বিটুবি ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম মার্চেন্ট বে। আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত সাত দিনের ট্রেড উইকে বাংলাদেশের এক হাজারের বেশি সরবরাহকারীকে বিশ্বের ৫০টির বেশি দেশের অসংখ্য ক্রেতার সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ করে দেবে মার্চেন্ট বে। ক্রেতারা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা পাবেন এবং কোটেশনের জন্য সরবরাহকারীদের অনুরোধ করতে পারবেন।

উদ্বোধনী দিনে ‘ডিজিটাল ট্রেড ইন গ্লোবাল পারসপেকটিভ’ শিরোনামের সেশনে আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ট্রেড পলিসি অ্যানালিস্ট মিনা হাসান, বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক, জেট্রোর কান্ট্রি ডিরেক্টর ইউজি অ্যান্ডো, পলিসি এক্সচেঞ্জর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাশরুর রিয়াজ এবং নিউ ভিশন সলিউশন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক রাফি ভূঁইয়াসহ প্রমূখ।

ওয়েবিনার সেশনগুলো ছাড়াও ডিজিটাল ট্রেডের সাত দিনজুড়েই প্রাইভেট সেশনের মাধ্যমে ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের মধ্যে সংযোগ হবে। আলোচনা সেশনে বক্তারা বৈশ্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে ডিজিটাল ট্রেডের নানান দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

আগামীকাল ১৭ অক্টোবর জেসিআই বাংলাদেশের আয়োজনে লিডারশিপ কনক্লেভের তিনটি সেশন অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ অক্টোবর বাংলদেশের পোশাক শিল্প খাতের তরুণনেতাদের নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, ২১ অক্টোবর মার্চেন্টবে পডকাস্ট শো’র প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে। এই পডকাস্ট শো’তে ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনায় অংশ নেবেন সফল উদ্যোক্তা ও বিশেষজ্ঞরা। ডিজিটাল ট্রেড উইকের বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন https://merchantbay.com/digitaltrade/events/ 

বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর বিশ্বাস করে। বাংলাদেশ আরএমজি সেক্টরে গত চার যুগ ধরে আছে। বাংলাদেশ এখন বাজারে তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড নিয়ে আসতে পারে। বাংলাদেশের বাংলাদেশের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ নিজের মতো করে আসতে পারে। ডিজিটাল ট্রেড পুরোটাই আস্থার ওপর নির্ভরশীল। আমাদের দেশকে ব্র্যান্ড হিসেবে তৈরি করার জন্য আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।’

ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন (ডব্লিউটিও)-এর ট্রেড পলিসি অ্যানালিস্ট মিনা হাসান বলেন, ‘ডিজিটাল অর্থনীতি আমাদের অর্থনীতির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বিটুসি তে বিক্রয় যেমন বেড়েছে তেমনি বিটুবি এর পরিমান ও অনেক বেড়েছে। ফলে দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাসহ সকল ধরনের ব্যবসা দেশে এবং বিদেশে খুব সহজেই প্রসার লাভ করতে পেরেছে।’

জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশান জেট্রো বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইউজি অ্যান্ডো বলেন, ‘চায়নার ক্রস বর্ডার ই-কমার্সের পরিমান ৩৫০ বিলিয়ন ডলার। এর থেকে আমরা ডিজিটাল ট্রেডের যে সম্ভাবনা তা খুব সহজেই অনুমান করতে পারি। তবে এক্ষেত্রে বায়ার সাপ্লাইয়ার সবার মধ্যে একটি বিশ্বাস ও স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল চ্যানেলের আওতায় নিয়ে আসতে হবে এবং সেই সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়নের দিকে জোর দিতে হবে। যাতে সবাই এই সুযোগ পরিপূর্ণ ভাবে গ্রহন করে বিটুবি প্লাটফর্মকে কাজে লাগাতে পারে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা