kalerkantho

মঙ্গলবার । ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

ফরিদপুরের পান্না ব্যাটারির বিরুদ্ধে ৬২ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির মামলা

অনলাইন ডেস্ক   

১৪ অক্টোবর, ২০২০ ১৯:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফরিদপুরের পান্না ব্যাটারির বিরুদ্ধে ৬২ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির মামলা

ভ্যাট গোয়েন্দা ফরিদপুরের একটা ব্যাটারি ফ্যাক্টরির বিরুদ্ধে প্রকৃত বিক্রয় তথ্য গোপন করার প্রমাণ পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আজ বুধবার ৬২ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নাম পান্না ব্যাটারি লি., রোটারি ইউনিট, মধুখালি, ফরিদপুর। বিআইএন: ০০০০০১৩৬৭-০২০৬।

জানা যায়, এই ফ্যাক্টরিটি ব্যাটারি তৈরির মূল উপাদান হার্ড লিড তৈরি করে। এরপর তারা তা ব্যাটারি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট বিক্রি করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্যাট গোয়েন্দার একটি দল ১২ আগস্ট ফরিদপুরের এই ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালায়। সংস্থার সহকারী পরিচালক সালাউদ্দিন রিপনের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে গোয়েন্দারা তাদের বাণিজ্যিক দলিলাদি জব্দ করেন এবং মাসিক ভ্যাট রিটার্নের সাথে সেগুলো যাচাই করেন। এতে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটি ২০১৮ সালে ৩৯৮টি ভ্যাট চালান ইস্যু না করে পণ্য সরবরাহ করেছে। ফরিদপুর ভ্যাট সার্কেলে রক্ষিত রিটার্নের সাথে এগুলোর কোনো কপি পাওয়া যায়নি। পান্না ব্যাটারির বাণিজ্যিক দলিলে পাওয়া এসব এন্ট্রি ভ্যাট রিটার্নে গোপন করেছিল। এর মাধ্যমে তারা গোপনে কারখানা থেকে ২৭,৭২,০০২ কেজি হার্ডলিড সরবরাহ করে।

তাদের মূল্য ঘোষণা অনুসারে প্রতি কেজি হার্ডলিডের মূল্য ১০.৫০ টাকা।এতে ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ দাঁড়াত ৪৩.৬৬ লক্ষ টাকা। ভ্যাট আইন অনুযায়ী সময়মতো ভ্যাট না দেয়ায় ২% হারে সুদ আদায়যোগ্য ১৮.৩৪ লক্ষ টাকা। সর্বমোট পান্না ব্যাটারিকে ৬২ লক্ষ টাকা দিতে হবে। একইসাথে ন্যায় নির্ণয়ন (বিচার) প্রক্রিয়ায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে আরো ব্যক্তিগত জরিমানা আরোপ করা হতে পারে।

ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মঈনুল খান বলেন, সারা দেশে ট্যাক্স ফাঁকি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে ওই অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে। সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা