• ই-পেপার

হরিপুর গ্যাস ফিল্ডের ৯ নম্বর কূপে খননকাজ শুরু

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত : জরুরি সহায়তা চাইল ৪ ব্যবসায়ী সংগঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত : জরুরি সহায়তা চাইল ৪ ব্যবসায়ী সংগঠন
ফাইল ছবি

বন্যা ও ভারি বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় শিল্প উৎপাদন, রপ্তানি ও সরবরাহব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশের চারটি শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় তারা সরকারের কাছে জরুরি নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা চেয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে এ দাবি জানিয়েছে তারা। সংগঠনগুলো হলো বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) এবং চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই)।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে পণ্য খালাস, সংরক্ষণ ও পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে আমদানি করা তুলা, সুতা, কাপড়, রাসায়নিক, প্যাকেজিংসামগ্রীসহ বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল আর্দ্রতায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

এ ছাড়া তৈরি পোশাক, হোম টেক্সটাইল, চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানি পণ্যের চালান বিলম্বিত হওয়ায় রপ্তানি আদেশ বাতিল, মূল্যছাড়, বিলম্বজনিত জরিমানা এবং ব্যয়বহুল বিমানপথে পণ্য পাঠানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, গত ৫ জুলাই থেকে টানা ভারি বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন কনটেইনার ইয়ার্ড এবং বেসরকারি ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে (আইসিডি) পানি ঢুকে আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ অবস্থায় গত ১০ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্যাজনিত পণ্যক্ষতির দায় অস্বীকার করে যে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে, তাতে আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও অন্যান্য অংশীজনের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সংগঠনগুলোর মতে, অবকাঠামোগত দুর্বলতা, অপর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা বা ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটির কারণে ক্ষতি হয়ে থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা উচিত।

চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন কনটেইনার আটকে থাকায় ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত ডেমারেজ, ডিটেনশন, পোর্ট রেন্ট, স্টোরেজ ও অন্যান্য চার্জ গুনতে হচ্ছে। একই সঙ্গে কাঁচামাল সরবরাহ ও রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় শিল্প উৎপাদন, নগদ অর্থপ্রবাহ, শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ এবং ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধে চাপ বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান।

এ পরিস্থিতিতে সংগঠনগুলো ৯ দফা সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে সড়ক ও রেল যোগাযোগ দ্রুত সচল করা, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে বিশেষ কমিটি গঠন, ডেমারেজ, স্টোরেজসহ বিভিন্ন চার্জ আংশিক বা পুরোপুরি মওকুফ, জরুরি পণ্যের জন্য দ্রুত কাস্টমস ছাড়পত্রের ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পের জন্য স্বল্পসুদে পুনঃঅর্থায়ন ও কার্যকরী মূলধন ঋণ, ঋণ পরিশোধে সময় বৃদ্ধি, এলসি ও আমদানি-রপ্তানির সময়সীমা বাড়ানো, কর ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধে ছাড় এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সহায়তা তহবিল গঠন।

এ ছাড়া পরিস্থিতি মোকাবেলায় নৌপরিবহন, অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের আন্ত মন্ত্রণালয় টাস্কফোর্স গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।

দীর্ঘ মেয়াদে বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে একটি জাতীয় ট্রেড কনটিনিউটি ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়নেরও প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনগুলো।

যৌথ চিঠিতে সই করেছেন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এবং চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক।

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : রয়টার্স

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানামা করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।

দেশীয় বাজারে মার্কিন ডলারসহ আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (১২ জুলাই ২০২৬) মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা
ইউরো : ১৪০ টাকা ২০ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ৬৮ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৭৫ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ৩৮ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ১১ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ০৭ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ২৯ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৮৬ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৮৪ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৮ টাকা ১৬ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৫৭ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। বিগত এক মাসে ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে, যা আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

পোশাক খাতের উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর জোর বিজিএমইএ’র

নিজস্ব প্রতিবেদক
পোশাক খাতের উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর জোর বিজিএমইএ’র

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন এবং টেকসই শিল্পায়নের সুযোগ সম্প্রসারণে বিজিএমইএ ও ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (ওকাইব)-এর মধ্যে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় সংগঠনের সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, ভিদিয়া অমৃত খান ও মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরীসহ অন্যান্য পরিচালকরা অংশ নেন। অন্যদিকে ওকাইবের প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স চ্যাং ওয়াই সি-এর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠকে উপস্থিত ছিল।

সভায় তৈরি পোশাক খাতে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে রুগ্ণ ও বন্ধ কারখানা অধিগ্রহণ, যৌথ মালিকানায় ব্যবসা পরিচালনা এবং ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

উভয়পক্ষের মতে, বিদেশি মূলধন ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতার সমন্বয় শিল্প খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে। বৈঠকে ব্যবসা পরিচালনায় বিদ্যমান কাস্টমস ও বন্ড সংক্রান্ত জটিলতা দূর করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

ওকাইবের প্রতিনিধিরা বলেন, যন্ত্রপাতি আমদানি ও পণ্য খালাস প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা বিনিয়োগের গতি কমিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে কার্যকর ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু এবং শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানানো হয়।

সাসটেইন্যালিটি ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। ওকাইবের প্রতিনিধিদল সার্কুলার ফ্যাশন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে তাদের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বাংলাদেশের পোশাক খাতে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করে। একই সঙ্গে তারা বাংলাদেশে কার্বন ট্রেডিং খাতে কাজ করার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন।

উৎপাদনশীলতা বাড়াতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কারখানাগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনিয়তার কথা উল্লেখ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

সভায় ওকাইবের পক্ষ থেকে সোয়েটার শিল্পের আধুনিকায়নের জন্য পুরনো জ্যাকর্ড মেশিন ফিরিয়ে নিয়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মেশিন সরবরাহের একটি বিশেষ ‘বিনিময় নীতি’ চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে কাস্টমস ও প্রশাসনিক জটিলতা এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

জবাবে বিজিএমইএ নেতারা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তারা জানান, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অনেকেই চীনা অংশীদারিত্বে বিনিয়োগে আগ্রহী এবং এ ধরনের অংশীদারিত্বের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিজিএমইএ নেতারা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চমূল্য সংযোজিত ও টেকসই পোশাক উৎপাদনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে চীনের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা, বিনিয়োগ এবং ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ খাতের সক্ষমতা বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে আরো শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ওকাইবের সভাপতি ফেলিক্স চ্যাং বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তা প্রদানে চীনা উদ্যোক্তারা আগ্রহী। ভবিষ্যতে উভয়পক্ষের সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত হবে।

নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা, ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা, ভরি কত?
সংগৃহীত ছবি

সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভালো মানের এক ভরি সোনা ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
  
গত শুক্রবার নতুন দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ রবিবারও ওই দামেই বিক্রি হচ্ছে সোনা।

 নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ভ্যাটসহ সোনা (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দেশের বাজারে এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৮৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ৪৪ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৪ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
 

হরিপুর গ্যাস ফিল্ডের ৯ নম্বর কূপে খননকাজ শুরু | কালের কণ্ঠ