kalerkantho

শুক্রবার । ৭ কার্তিক ১৪২৭। ২৩ অক্টোবর ২০২০। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

এক যুগ পর চট্টগ্রামে সিডিএর নতুন আবাসন প্রকল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:০৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এক যুগ পর চট্টগ্রামে সিডিএর নতুন আবাসন প্রকল্প

এক যুগেরও বেশি সময় পর নতুন আবাসন প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। নতুন এই প্রকল্পে প্রায় দুই হাজার প্লট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ভূমি বাবদ এক হাজার ১০০ কোটি টাকা এবং ভূমি উন্নয়ন আনুষঙ্গিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা। সিডিএ সূত্র জানায়, এর আগের অনন্যা আবাসিক এলাকার দ্বিতীয় প্রকল্প হিসেবে নতুন এই আবাসন প্রকল্পের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনন্যা আবাসিক দ্বিতীয় প্রকল্প ছাড়াও আরো একটি আবাসন প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে সিডিএ। তবে এই প্রকল্পের স্থান চূড়ান্ত করা হয়নি। দুটি প্রকল্পই করা হচ্ছে প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকভাবে লাভবান করার চিন্তা থেকে।

দীর্ঘদিন পর জনগণের চাহিদার কথা বিবেচনায় নিয়ে সিডিএ নতুন করে আবাসন প্রকল্প গ্রহণের চিন্তা করছে বলে জানান সিডিএর চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ।

কাছাকাছি সময়ে সিডিএ আবাসন প্লটের পরিবর্তে কয়েকটি স্থানে ফ্ল্যাট প্রকল্প হাতে নেয়। নগরীর ষোলশহর ২ নম্বর গেট, দেওয়ানহাট ও কাজীর দেউড়ি এলাকায় এসব ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়। এসব ফ্ল্যাট প্রকল্পের মধ্যে ষোলশহর ও কাজীর দেউড়ি এলাকার কিছু ফ্ল্যাট বিক্রি হলেও দেওয়ানহাট প্রকল্পের ফ্ল্যাট নেওয়ার ব্যাপারে তেমন সাড়া মেলেনি। এই কারণে সিডিএ নতুন করে ফ্ল্যাট প্রকল্প গ্রহণে আগ্রহ হারিয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

সিডিএ সূত্র জানায়, এক যুগেরও বেশি সময় আগে সিডিএ কর্তৃপক্ষ  ‘কল্পলোক’ ও ‘অনন্যা’ নামে দুটি আবাসিক প্রকল্প হাতে নেয়। এই দুই আবাসন প্রকল্প স্থানীয় ও প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। এই দুটি প্রকল্পের প্লটগুলো জমি অধিগ্রহণ পর্যায়েই বিক্রি হয়ে যায়। ফলে প্লটগ্রহীতার টাকা দিয়েই জমির দাম পরিশোধ করা হয়। পরে দেখা গেছে, ওই দুই প্রকল্পের প্লট বরাদ্দের সঙ্গে সঙ্গেই জমির মূল্যও সিডিএ কর্তৃক ধার্য মূল্যের চেয়ে অনেক গুণ বেড়ে যায়।

সিডিএ সূত্র জানায়, এই দুই প্রকল্পের বেশির ভাগ প্লট প্রকল্প শেষ করার আগেই বিক্রি হয়ে যায়, যে কারণে এই প্রকল্প দুটির কাজ শেষ করতে সিডিএর নিজস্ব তহবিল থেকে তেমন একটা বিনিয়োগ করতে হয়নি। সিডিএ এই দুটি প্রকল্প থেকে বিপুল আর্থিক তহবিল গঠন করতে পেরেছিল। এরপর সিডিএ দীর্ঘদিন আর্থিকভাবে লাভজনক কোনো আবাসিক প্রকল্প গ্রহণ করতে পারেনি। উল্টো নিজস্ব তহবিল থেকে ১২০ কোটি টাকা বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার নির্মাণে খরচ করা হয়।

অনন্যা আবাসন দ্বিতীয় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী আহমদ মঈনুদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন পর সিডিএ আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার দিকে নজর দিয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা