kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ । ১ অক্টোবর ২০২০। ১৩ সফর ১৪৪২

ওজনে কারচুপি

বছর ঘুরে ভালো প্রতিষ্ঠানটিও জালিয়াতের তালিকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ আগস্ট, ২০২০ ২১:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বছর ঘুরে ভালো প্রতিষ্ঠানটিও জালিয়াতের তালিকায়

গত বছর ১১ ফেব্রুয়ারি বিএসটিআই যখন মহানগরের দারুস সালামে অভিযান চালায় তখন এলাকার দুটি পেট্রল পাম্পে ওজনে কারচুপি পাওয়া যায়। আইন অনুসারে জরিমানা ও মামলা করা হয় এগুলোর বিরুদ্ধে। তৃতীয় পাম্পটি ছিল এলাকার মেসার্স খালেক সার্ভিস ফিলিং স্টেশন। তাদের ওজন যন্ত্র ছিল ঠিকঠাক। বছর ঘুরে গতকাল সেই পাম্পটিতেই পাওয়া গেল ওজনে কারচুপি। ১০ লিটার তেলে ১৪০ মিলি কম।

আজ বুধবার ঢাকা মহানগরের দারুস সালাম এলাকায় বিএসটিআইর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে স্টেশনের দুটি ডিজেল ডিসপেন্সিং ইউনিটে জ্বালানি তেলের ওজনে এই কারচুপি পাওয়া যায়। তাই ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন-২০১৮’ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই অবস্থা কল্যাণপুর এলাকার মেসার্স সোহরাব সার্ভিস স্টেশনের। তাদের একটি অকটেন ডিসপেন্সিং ইউনিটে পরিমাপে ১০ লিটারে ৪৮০ মিলি করে জ্বালানি তেল কম পাওয়া যায়। একই আইনে এই প্রতিষ্ঠানটিকেও ৫০ হাজার টাকা করা হয়। এই পাম্পটিও ১১ ফেব্রয়ারি সেই অভিযানের সময় সঠিক পাওয়া গিয়েছিল। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) পাম্প দুটির বিরুদ্ধে ২০১৮ এর আইনে মামলাও করা হয়েছে।

বুধবার বিএসটিআই এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে শ্যামলী এলাকার মেসার্স সাহিল ফিলিং স্টেশন এবং আসাদ গেইট এলাকার মেসার্স সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনে অভিযানকালে পরিমাপ সঠিক পাওয়া যায়। এর মধ্যে সাহিল ফিলিংকে ২০১৬ সালে একবার জরিমানা ও মামলা করা হয়েছিল ওজন জালিয়াতির কারনে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন বিএসটিআইর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আমিমুল এহসান। তার সঙ্গে ছিলেন পরিদর্শক মো. লিয়াকত হোসেন ও মো. নাজমুস সায়াদত।

চলতি বছরের ৪ মার্চ আরো একটি পেট্রলপাম্পকে ওজনে কারচুপির জন্য জরিমানা ও মামলা করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা