kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

করোনার স্থবিরতা কাটাতে দ্রুত বাণিজ্যিক নীতিমালা সংস্কারের পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ জুলাই, ২০২০ ০৯:৩৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনার স্থবিরতা কাটাতে দ্রুত বাণিজ্যিক নীতিমালা সংস্কারের পরামর্শ

দেশের বিনিয়োগে স্থবিরতা দূর করতে করোনার নানামুখী প্রভাব পর্যালোচনা করে দ্রুত বাণিজ্যিক নীতিমালা সংস্কারের পরামর্শ দিয়েছেন দেশের অর্থনীতিবিদরা। তাঁরা বলেন, কভিড-পরবর্তী নতুন নতুন সম্ভাবনা খুঁজে বের করে দেশের স্বাভাবিক উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নীতি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। এ ছাড়া ইউরোপ ও দক্ষিণ এশিয়া থেকে নতুন নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য নীতিনির্ধারকদের পরিকল্পনার সঙ্গে বাস্তবায়নের সংগতি রেখে কর ও বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত বের করে বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে কর্মপরিকল্পনা নিতে হবে।

গতকাল রবিবার রিসারজেন্ট বাংলাদেশ আয়োজিত তৃতীয় সংলাপ ‘অনিশ্চিত সময়ে বেসরকারি বিনিয়োগ : বাংলাদেশে কভিডের প্রভাব এবং নীতিমালার প্রয়োগ’ শীর্ষক সংলাপে তাঁরা এসব পরামার্শ তুলে ধরেন। জুমের মাধ্যমে আয়োজিত সংলাপে রিসারজেন্ট বাংলাদেশ, এমসিসিআই, ডিসিসিআই, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, বিল্ড এবং পলিসি এক্সচেঞ্জের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। এমসিসিআই সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। সংলাপে পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

মাসরুর রিয়াজ বলেন, কভিড-পরবর্তী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্বে শিল্প উৎপাদন খাতে পরিবর্তন এসেছে। এসব পরিবর্তনের অগ্রাধিকার যাচাই এবং ভবিষৎ বিনিয়োগ পরিস্থিতি, সুযোগ, নীতি কাঠামোর সংস্কারে প্রাধান্য দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি। এ ছাড়া অর্থনৈতিক উত্তরণের জন্য বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি জানান।

এপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর কাস্টমস ও লজিস্টিক বিষয়গুলোর দুর্বলতা সমাধান, বৈদেশিক মুদ্রা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, স্থানীয় ও বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের আহ্বানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন।

ইউনিলিভার বাংলাদেশের এমডি ও সিইও কাদের লেলে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক বাণিজ্যের সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার ওপর এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা খুঁজে বের করার কথা জানান। গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসের আজমান বলেন, সামগ্রিক নীতি কাঠামোর সংস্কার ও দীর্ঘমেয়াদি কর কাঠামো ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সংলাপে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ব্যবসায়ী মহলের নিয়মিত আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি শামস মাহমুদ বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের সঙ্গে যেসব সরকারি সংস্থা জড়িত তারা যেন আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করে এবং কোনো রকম হয়রানি না করে সে বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে।

এতে আরো বক্তব্য দেন বিল্ডের চেয়ারম্যান আবুল কাসেম খান, স্প্যানিশ চেম্বারের সভাপতি নুরিয়া লোপেজ, ফরেন চেম্বারের নির্বাহী পরিচালক নূরুল কবির, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সেক্রেটারি জেনারেল রাশিদুল ইসলাম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা