kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

করোনা সংক্রমণ রোধে নানা পদক্ষেপ প্রশাসনের

পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলো কুয়াকাটা

জসীম পারভেজ, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)    

২ জুলাই, ২০২০ ০৮:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলো কুয়াকাটা

পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা খুলে দিল জেলা প্রশাসন। করোনা সংক্রমণ রোধে গত ১৮ মার্চ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং সংক্রমণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পর গতকাল বুধবার থেকে হোটেল-মোটেলসহ অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত করার ঘোষণা করা হয়।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সংক্রমণ রোধে কার্যকর উপকরণ এবং প্রশিক্ষণ নিয়ে পর্যটকদের সেবা দেওয়া শুরু করেছে কুয়াকাটার দুই শতাধিক হোটেল-মোটেল এবং সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কুয়াকাটা সৈকতসংলগ্ন জাতীয় উদ্যানের ঝাউবন, তালবাগান, লেম্পুচরসহ অন্যান্য বনাঞ্চলের বিভিন্ন পয়েন্টে কলাপাড়ার আশপাশ থেকে আসা কিছু পর্যটক ঘুরে বেড়িয়েছেন। স্থানীয় আবাসিক হোটেল-মোটেল, খাবার হোটেল-রেস্টুরেন্টসহ সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক-কর্মচারীরা সামান্য বিকিকিনিতে ব্যস্ত। বিভিন্ন আবাসিক এবং খাবার হেটেলের প্রবেশদ্বারে, পর্যটক বহনকারী যানবাহনে ভাইরাস ধ্বংসের সামগ্রী রাখা হয়েছে।

কুয়াকাটা সিকাদার হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের জেনারেল ম্যানেজার ফয়সাল মাহমুদ কালের কণ্ঠকে বলেন, “আমাদের রিসোর্ট এবং ভিলাগুলো সাবধানতার সঙ্গে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং জীবাণুমুক্ত রাখা হচ্ছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কার্যকর প্রশিক্ষণ এবং হোটেল-মোটেলে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তাসামগ্রী সংরক্ষণ করার পর আমাদের ‘হোটেল-মোটেল অ্যাসোসিয়েশন’ কর্তৃপক্ষ সন্তুষ্ট হয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে হোটেল-মোটেলসহ সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার জন্য আবেদন করার পর বুধবার উন্মুক্ত করেছি কুয়াকাটা সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলাটি।’ 

কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন ট্যুরিস্ট বোর্ড অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কে এম বাচ্চু বলেন, তিন মাস পর কুয়াকাটা লকডাউন তুলে নেওয়ায় আমরা খুশি হয়েছি। কিন্তু আজ প্রথম দিন তেমন পর্যটক না এলেও আমরা পর্যটকদের ভ্রমণ করানোর জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা