kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ আষাঢ় ১৪২৭। ২ জুলাই ২০২০। ১০ জিলকদ  ১৪৪১

সংকটেও হাজার কোটি টাকার রাজস্ব দিতে চায় বারভিডা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩১ মে, ২০২০ ১৬:৫৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সংকটেও হাজার কোটি টাকার রাজস্ব দিতে চায় বারভিডা

করোনা মহামারির এই মহা সংকটকালে সরকারকে একহাজার কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। চট্টগ্রাম এবং মোংলা বন্দরে বারবিড়ার ছাড়ের ব্যবস্থা করা গেলেই সরকার অল্প সময়ে এই আয় করতে পারে বলে মনে করেন এই খাতের নেতরা।

আজ রবিবার রাজধানীর পল্টনে বারবিডার কার্যালয়ে আয়োজিত এক ভাচুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই প্রস্তাব দেন বারবিড়ার সভাপতি আবদুল হক।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, সহসভাপতি এসএম আনোয়ার সাদাত, মো. সাইফুল ইসলাম সম্রাট, মো. জসিম উদ্দিন প্রমুখ। 

সংবাদ সম্মেলনে বারভিডার সভাপতি বলেন, মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরে বারভিডার আমদানি করা আট হাজার গাড়ি ইয়ার্ডে রক্ষিত রয়েছে। সেগুলোর এপ্রিল ও মে মাসের বন্দর ভাড়া মওকুফ করে ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ সহায়তা প্যাকেজে বারভিডার জন্য ৫০০ কোটি টাকার ঋণ বরাদ্দ করার পরামর্শ দেন। এটা করা গেলে বন্দরে থাকা গাড়িগুলি ছাড়করণের মাধ্যমে শুল্ক ও কর বাবদ সরকার এক হাজার কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব পেতে পারে।

আবদুল হক বলেন, সরকার মহামারিকালীন সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনারের জন্য বন্দর ভাড়া  (প্রফিট চার্জ) মওকুফ করেছিল। বন্দর দু’মাস বন্ধ ছিল তাই আমদানিকৃত গাড়িগুলো ছাড়করণের ক্ষেত্রে ঐ দু’মাসের জন্য বন্দর ভাড়া মওকুফ করতে বারভিডা নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় তথা সরকারকে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে। অতীতেও বিপর্যয়কর বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে বন্দর ভাড়া মওকুফ এবং শুল্ক-কর মওকুফ করে দেয়ার দৃষ্টান্ত রয়েছে বলে বারভিডা জানায়। 

সংবাদ সম্মেলনে বারভিডা প্রেসিডেন্ট বলেন যে, করোনা মহামারি থেকে দেশের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারে সরকার বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে স্বল্পসুদে ৩০ হাজার ও ২০ হাজার মোট ৫০ হাজার কোটি টাকার যে ঋণ সুবিধা দিয়েছে তাতে বারভিডা একটি ট্রেডিং সংগঠন হিসেবে সুবিধা পাচ্ছে না। উক্ত ঋণ সুবিধায় বারভিডাকে বিশেষ বিবেচনায় অন্তর্ভূক্ত করে এ খাতের জন্য নির্দিষ্টভাবে ৫০০ কোটি টাকার একটি ঋণ সহায়তা প্যাকেজ প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

এক্ষেত্রে বারভিডা আশ্বস্ত করছে যে, রিকন্ডিশন্ড মোটরযান খাতে ঋণ প্রদান করা হলে তা সরকারের জন্য শতভাগ নিরাপদ। গাড়ির ডক্যুমেন্ট এর বিপরীতে এই অর্থ ব্যাংকে জমা হবে , এবং বারভিডা এক্ষেত্রে গ্যারান্টি দেবে। 

প্রসঙ্গত, একটি গাড়ির মোট মূল্যের প্রায় দুই তৃতীয়াংশই সরকারের শুল্ক ও কর বাবদ সরকারি তহবিলে জমা হয়ে থাকে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা