kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি ভ্যাট দেয় যারা

সবচেয়ে বেশিই ভ্যাট প্রদানের চেয়ে আমরা দেখি কারা নিয়মিত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে ভ্যাট দেয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম    

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১১:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি ভ্যাট দেয় যারা

মোহাম্মদ এনামুল হক, ভ্যাট কমিশনার, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার যে ভ্যাট বিগত ২০১৮-১৯ অর্থবছর জমা হয়েছে এর মধ্যে ৬৫ শতাংশ ভ্যাট আসে তিন বড় খাত থেকে। সেগুলো হলো জ্বালানি তেল আমদানি খাত, চট্টগ্রাম বন্দর ও বেসরকারি কনটেইনার ডিপো এবং এমএস প্রডাক্ট বা রিরোলিং-শিপইয়ার্ড খাত।

চট্টগ্রামে ৮ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান ভ্যাট দিচ্ছে; এর মধ্যে নিবন্ধিত হোটেল রয়েছে ২০০টির বেশি। চট্টগ্রাম-কক্সবাজারজুড়ে এই হোটেলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভ্যাট দেয় কক্সবাজারে অবস্থিত পাঁচতারা হোটেল ‘রয়েল টিউলিপ সি পার্ল বিচ রিসোর্ট’। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছে চট্টগ্রামের পাঁচতারা হোটেল ‘র‌্যাডিসন ব্লু চিটাগাং বে ভিউ’ এবং তৃতীয় স্থানে আছে কক্সবাজারের ‘সায়মান বিচ রিসোর্ট’।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, সবচেয়ে বেশিই ভ্যাট প্রদানের চেয়ে আমরা দেখি কারা নিয়মিত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে ভ্যাট দেয়। সেই তালিকায় উক্ত তিনটি হোটেলই রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি ভ্যাট দিচ্ছে এমন নয়; কিন্তু তারা নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে দিচ্ছে ভ্যাট। তাদের বিরুদ্ধে আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। আমরা চাই অন্যরাও তাদের দেখে উদ্বুদ্ধ হোক।

চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেটের হিসাবে, মিষ্টি ও বেকারি জাতীয় প্রচুর প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামে গড়ে উঠেছে। কিন্তু তাদের ভ্যাট প্রদান তুলনামূলক কম এবং অস্বচ্ছ। এর পরও সবচেয়ে বেশি ভ্যাট দেওয়ার তালিকায় আছে ওয়েল ফুড, হাইওয়ে সুইটস, বনফুল ও ফুলকলি। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৫ শতাধিক রেস্টুরেন্ট জমজমাট ব্যবসা করছে কিন্তু তাদের ভ্যাট দেওয়ার হার একেবারে নগণ্য।

জানতে চাইলে ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, রেস্টুরেন্টে উল্লেখ করার মতো প্রতিষ্ঠান আমার মতে নেই; যারা নিয়মিত ও ফাঁকি ছাড়া ভ্যাট দেয়। কিন্তু তাদের জরিপের আওতায় সঠিকভাবে আনতে না পারার কারণ হচ্ছে লোকবল সংকট। সঠিকভাবে জরিপ করা গেলে তাদের কাছ থেকেও আমরা ভালো অঙ্কের ভ্যাট আদায় করতে পারতাম।

চট্টগ্রামে রেস্টুরেন্ট খাতকে আওতার মধ্যে আনতে না পারার আরেকটি কারণ হচ্ছে, এখানে রেস্টুরেন্ট মালিকের নাম পরিবর্তন। দুই মাস পর দেখা যাচ্ছে, রেস্টুরেন্টের নাম ঠিকই আছে কিন্তু মালিকানা পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। ফলে ধরতে গেলেই আগের মালিককে আর পাওয়া যাচ্ছে না। এটা একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা