kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

উৎপাদন কমে ৫২ লাখ টনে নামবে

এক লাখ ২০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করছে ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ১৪:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এক লাখ ২০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করছে ভারত

ফাইল ফটো

বাজারের সংকট কমানো এবং সরবরাহ বাড়িয়ে দাম স্থিতিশীল করতে এক লাখ ২০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।

বুধবার ভারতের মন্ত্রিসভা এই পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়।

অসময়ে বৃষ্টির কারণে ভারতে চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ উত্পাদন ২৬ শতাংশ কম হয়েছে। এই অবস্থায় ভারতজুড়ে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের কেজি ৬০ রুপির নীচে নামছে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে।

একইসাথে বেসরকারী আমদানি উত্সাহিত করতে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত ফিউমিগেশন বা বিষমুক্ত রিপোর্ট প্রাপ্তির প্রক্রিয়া শিথিল করেছে ভারত। এরফলে দ্রুত পেঁয়াজ আমদানি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

‘দি টাইমস অফ ইন্ডিয়া’র গতকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরবরাহ বাড়াতে ভারতের সরকারী প্রতিষ্ঠান ‘এমএমটিসি’র মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৪ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির ঋণপত্র খোলা হয়েছে। বাকি পেঁয়াজ এনে দেশজুড়ে সরবরাহ করা হবে। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাজার নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে মনে করছে ভারত সরকার।

ভারতের ফাইনান্সিয়াল এক্সেপ্রেসের ১৯ নভেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অসময়ে বন্যার কারণে খরিফ (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ও লেট খরিফ (জানুয়ারি-মার্চ) মৌসুমে পেঁয়াজ উত্পাদন ২৬ শতাংশ কম হবে বলে ধারণা করছে ভারতের কৃষি বিভাগ। এখন যে পেঁয়াজ বাজারে আসছে সেটি হচ্ছে রবি মৌসুমে (মার্চ-জুন) উত্পাদিত। অসময়ে বৃষ্টি-বন্যার কারণে খরিফ মৌসুমের পেঁয়াজ উত্পাদন দেরি হয়েছে; কৃষকরা একবার পেঁয়াজ রোপনের পর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আবারও রোপন করছেন। খরিফ মৌসুমে ফলন আসতে দেরি হওয়ায় লেট খরিফ আবাদও দেরি হবে। একইসাথে উৎপাদনও ব্যাহত হবে। এই অবস্থায় খরিফ ও লেট খরিফ মৌসুমে পেঁয়াজ উৎপাদন ৫২ লাখ টনে নামবে। গত বছর এই উৎপাদন ছিল প্রায় ৭০ লাখ টন।

এই অবস্থায় আগামী ফেব্রুয়ারির আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করার সম্ভাবনা নেই। এজন্য বাংলাদেশের চাহিদা মিটাতে এখনই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত বলে মনে করছেন পেঁয়াজ আমদানির সাথে জড়িত ব্যবসায়ীরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা