kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

পেঁয়াজ আমদানিতে চার্জ উঠিয়ে দিল বিমান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ নভেম্বর, ২০১৯ ১৮:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পেঁয়াজ আমদানিতে চার্জ উঠিয়ে দিল বিমান

পেঁয়াজের বাজারে সংকট কাটাতে আকাশপথে আমদানি বেড়েছে। সরকারের বিশেষ উদ্যোগ আকাশপথে আমদানি করা হচ্ছে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ। উড়োজাহাজে করে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য চার্জ মওকুফ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। জনস্বার্থে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

আকাশপথে যেকোনো পচনশীল দ্রব্য পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ১৮ টাকা চার্জ প্রদান করতে হয়। আজ বুধবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেয়। 

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মহিবুল হক বলেন, পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য জনগণের স্বার্থে যতদিন এভাবে আকাশপথে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে ততদিন পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে এই চার্জ মওকুফের ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। আকাশপথে পেঁয়াজ আমদানির সাথে সম্পৃক্ত সকল ব্যবসায়ীকে এ ব্যাপারে সর্বতোভাবে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

এদিকে আজ বুধবার রাতে মিসরের থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ সৌদি এয়ারলাইন্স-এর একটি উড়োজাহাজ ঢাকা আসার কথা। পেঁয়াজবাহী প্রথম সৌদি এয়ার লাইন্সের উড়োজাহাজ এসভি ৩৮০২ যোগে মিসরের কায়রো থেকে জেদ্দা হয়ে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ২০ নভেম্বর গভীর রাতে পৌঁছাবে।

এরপর প্রতিদিন প্যাসেঞ্জার ও কার্গো ফ্লাইটে পেঁয়াজ অব্যাহতভাবে ঢাকায় আসবে। এ সকল পেঁয়াজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে। টিসিবি’র ট্রাক সেল এবং নিয়োজিত ডিলারের মাধ্যমে সারাদেশে এ পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে দৈনিক প্রায় ৬ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজের দরকার হয়। প্রতি বছর ৮ থেকে ১০ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। এর বেশিরভাগই প্রতিবেশি ভারত থেকে আমদানি করা হয়। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা