kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

বাড়ল তহবিল, কমল সুদ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০৯:২৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাড়ল তহবিল, কমল সুদ

রপ্তানিকারকদের স্বার্থে এবার রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) ঋণের সুদের হার কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে রপ্তানিকারকরা লন্ডন আন্ত ব্যাংক হারের (লাইবর) সঙ্গে ১.৫০ শতাংশ সুদে ব্যাংক থেকে এ ঋণ নিতে পারবেন। আগে এই তহবিলের ঋণ পেতে লাইবরের সঙ্গে ২.৫০ শতাংশ সুদ দিতে হতো। রপ্তানি বাণিজ্য বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সুদহার আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক এসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

ঋণের সুদহার কমানোর বিষয়টি খুবই ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি রুবানা হক। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ইডিএফের ঋণের সুদহার কমানোর জন্য আমরা আগস্ট মাসের ৬ তারিখ বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়েছিলাম। বাংলাদেশ ব্যাংক এতে সাড়া দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে আমরা খুশি হয়েছি। এতে রপ্তানি খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি মনে করেন।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের আকার ৫০ কোটি ডলার বাড়িয়ে ৩৫০ কোটি ডলার করা হয়। রপ্তানি খাতে সহায়তা দিতে ১৯৮৯ সালে মাত্র তিন কোটি ডলার দিয়ে ইডিএফের যাত্রা শুরু হয়। দফায় দফায় বাড়িয়ে এই তহবিলের পরিমাণ এখন ৩৫০ কোটি (তিন বিলিয়ন) ডলারে দাঁড়িয়েছে। ঋণের সুদহার কমানোর মধ্য দিয়ে রপ্তানিকারকদের আরো সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইডিএফ থেকে ঋণ নিয়ে সেই অর্থ আবার রপ্তানিকারকদের দিয়ে থাকে। এ তহবিলের ঋণের হার সাধারণ ঋণের হারের চেয়ে বেশ কম বলে রপ্তানিকারক এই ফান্ড থেকে ঋণ নিতে চান।

বিজিএমইএ বা বিটিএমএর সদস্য বস্ত্র বা তৈরি পোশাকের একজন রপ্তানিকারক তহবিলটি থেকে সর্বোচ্চ আড়াই কোটি ডলার ঋণ নিতে পারেন। এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, ওষুধসহ বিভিন্ন খাতের রপ্তানিকারকরাও এ তহবিল থেকে ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘রপ্তানিকারকদের সুবিধার্থে সুদের হার কমিয়ে-বাড়িয়ে কতটুকু লাভ হবে? শুধু সুদের হার কমিয়ে রপ্তানি বাড়ানো যাবে না। রপ্তানির ক্যাপাসিটি, বৈচিত্র্যতা, নতুন বাজার না ধরতে পারলে রপ্তানি বাড়বে না। তবে ১ শতাংশ সুদ কমানো মানে অনেক। এটা অবশ্যই ইতিবাচক। এখন রপ্তানিকারকরা এর সদ্ব্যবহার করতে পারলে ভালো ফল আসবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা