kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে চালু হচ্ছে 'বাংলা টাকা বন্ড'

সজীব হোম রায়   

১০ নভেম্বর, ২০১৯ ১৭:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে চালু হচ্ছে 'বাংলা টাকা বন্ড'

প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে চালু হচ্ছে ১০০ কোটি ডলারের ‘বাংলা টাকা বন্ড’। এতে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচন হচ্ছে। প্রবাসীরা ডলারে বন্ড কিনলেও তা টাকায় রূপান্তরিত হয়ে দেশের বিভিন্ন বড় বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করা যাবে। ফলে নিজস্ব অর্থে বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন আরো সহজ হবে। কাল সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ বন্ড চালু হবে। লন্ডন স্টক মার্কেট আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা টাকা বন্ডকে লিস্টিং করার অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে লন্ডনের উদ্দেশে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, এই বন্ডের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে বাজার থেকে ১ কোটি মার্কিন ডলার বা ৮৪ কোটি টাকা তোলা হবে। বিশ্বব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) হবে এই বন্ডের ইস্যু ম্যানেজার। বন্ডের সময়সীমা হতে পারে ৩ বছর মেয়াদি। পরে তা বাড়িয়ে ৫ বছর এবং সর্ব্বোচ্চ ১০ বছর করা হতে পারে। তবে এই বন্ডে বিনিয়োগ করলে প্রবাসীরা কত সুদ পাবেন তার হার এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। এর পরিমাণ ৪-৫ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে বলে দায়িত্বশীল সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে।

এই প্রথম বাংলাদেশের টাকা কোনো আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটের সঙ্গে সংযুক্ত হতে যাচ্ছে। টাকা লন্ডন স্টক মার্কেটে লেনদেন হবে। যে কেউ এই বন্ড কিনতে পারবে। ডলার দিয়ে এই বন্ড কিনতে হবে। সেই ডলার টাকায় কনভার্ট হয়ে তা বিনিয়োগ করা হবে। আইএফসি বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করেছে। এই ১ বিলিয়ন ডলার ‘টাকা বন্ড’ ছাড়ার মাধ্যমে তাদের বিনিয়োগ আরো বাড়বে।

জানা গেছে, ২০১১ সাল থেকে এ ধরনের বন্ড ছাড়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। পরে ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ’র বার্ষিক সভায় তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সাথে আইএফসি’র নেতাদের এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে এই বন্ড ছাড়ার প্রস্তাব দিলে তখনই প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু পরে তা নানা কারণে বাস্তবায়িত হয়নি।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এটি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। 

উল্লেখ্য, ভারতে রুপি বন্ড প্রথম ৩ বছর মেয়াদি ছাড়া হয়েছিল। পরে তার সময়সীমা বাড়িয়ে ৫ বছর করা হয়। এখন তা ১০ বছর পর্যন্ত হয়েছে। প্রবাসী ভারতীয়রা এই বন্ডে বিপুল হারে বিনিয়োগও করেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা