kalerkantho

শনিবার । ২৩ নভেম্বর ২০১৯। ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

তৃতীয় টার্মিনাল, সম্প্রসারিত হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০৯:০১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তৃতীয় টার্মিনাল, সম্প্রসারিত হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দর

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পণ্য ও যাত্রী ওঠানামার জন্য থার্ড টার্মিনাল নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিমানবন্দর সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এ জন্য ২০ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকার একটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে এভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়াম (এডিসি)।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এটিসহ মোট পাঁচটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যার মোট মূল্য ২৪ হাজার ২৯৬ কোটি ১৮ লাখ ৬৮৭ টাকা। বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গুরুত্ব বাড়ছে। তাই বিমানবন্দরের বিদ্যমান অবকাঠামো এবং আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে এ চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বিমানবন্দরটি তাই সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় প্রধান কার্যক্রমগুলো হচ্ছে টার্মিনাল ও সিকিউরিটি ইকুইপমেন্টসহ দুই লাখ দশমিক ২৬ হাজার বর্গমিটারের নতুন প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল নির্মাণ, টানেলসহ ৬২ হাজার বর্গমিটার মাল্টি লেভেল কার পার্কিং তৈরি, ৪১ হাজার ২০০ বর্গমিটার নতুন কার্গো কমপ্লেক্স, পাঁচ হাজার ৯০০ বর্গমিটার ভিভিআইপি কমপ্লেক্স তৈরি, এক হাজার ৮৪০ বর্গমিটার রেসকিউ অ্যান্ড ফায়ার ফাইটিং স্টেশন ও ইকুইপমেন্ট ক্রয়। এ ছাড়া ৬৬ দশমিক ৮৭ লাখ ঘনমিটার ভূমি উন্নয়ন, ৪ দশমিক ৯৯ লাখ বর্গমিটার অ্যাপ্রোন তৈরি, এক লাখ বর্গমিটার ট্যাক্সিওয়ে নির্মাণ, এক লাখ ৫৮ হাজার বর্গমিটার সোল্ডার তৈরি, আট লাখ ৩৮ হাজার বর্গমিটার জিএসই রোড এবং ৩৩ হাজার বর্গমিটার সার্ভিস রোড তৈরিসহ আনুষঙ্গিক বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

বৈঠকে ২০১৯-২০১০ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে প্রথম লটে ২৫ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ দুই লাখ টন ইউরিয়া নিরবচ্ছিন্নভাবে আমদানির লক্ষ্যে লটভিত্তিক মূল্য ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে গেলেও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির আলাদা আলাদা অনুমোদনের পরিবর্তে বিশেষ বিবেচনায় এ বছরের অন্য সব লটের অনুমোদনের ক্ষমতা শিল্পমন্ত্রীকে দেওয়ার একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রথম লটে ২৫ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সারের প্রতি টনের দাম ২৬৫ দশমিক ২৫ ডলার হিসেবে বাংলাদেশি টাকায় মোট ব্যয় হবে ৫৪ কোটি ২৯ লাখ ২৯ হাজার টাকা।

বৈঠকে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন হাজার ৪৪৯ কোটি পাঁচ লাখ টাকার ফিজিক্যাল প্রটেকশন সিস্টেম (পিপিএস) প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা