kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সমঝোতা স্মারক সই

বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদিআরব

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:২০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদিআরব

আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কে গভীরতা আরো উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই। এ জন্য কাজও শুরু হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে সৌদি আরবের বাদশাহ বিনিয়োগের জন্য পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিএফআই) টিম পাঠানোর কথা বলেছেন। আর এক বছরের মধ্যে তিনি তাঁর কথা রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এ কথা বলেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে সৌদি কম্পানি অ্যাকওয়া পাওয়ারের সঙ্গে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ও জ্বালানিসচিব আহমেদ কায়কাউস।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা সৌদি-বাংলাদেশ সম্পর্ক অন্য স্তরে নিয়ে যেতে চাই। এই চুক্তির মাধ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।’

‘আমাদের ঝুড়ি প্রায় পূর্ণ, তবে সামনের দিকে আরো ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ চাই’—উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২০১৫ সালে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ ছিল তিন বিলিয়ন ডলার, এই সময়ের মধ্যে ২৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এসেছে বিদ্যুৎ খাতে। আগে বলা হয়নি এই গল্প। এখন বলার সময় হয়েছে, বলে যাচ্ছি।’

অ্যাকওয়া পাওয়ার বাংলাদেশে গ্যাস ও আর-এলএনজি বেজড বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে আগ্রহী। কম্পানিটি প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চায়। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাদের প্রাক-সমীক্ষা রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

বিদ্যুৎ খাতে সৌদির কোনো কম্পানির এটাই প্রথম বড় বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো। এর আগে আল ফানাহ নামের একটি কম্পানি পিজিসিবির সঙ্গে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে চুক্তি করেছে। এ ছাড়া সৌদির রাষ্ট্রীয় তেল কম্পানি আরামকো বাংলাদেশে বিনিয়োগ প্রস্তাব দিয়েছে। কম্পানিটি এলএনজি ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, ‘ইদানীং একটি কথা শুনতে পাচ্ছি, এত বিদ্যুৎ রাখব কোথায়। অথচ এর জন্য আমাদের ধন্যবাদ পাওয়ার কথা। ডিমান্ড এবং সাপ্লাই যতটুকু হওয়ার কথা ততটুকু হয়েছে। যাতে লোডশেডিং না হয় সেভাবে করা হয়েছে। অবকাঠামো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে করা হয়। চুক্তিটি দুপক্ষের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করবে।’

অ্যাকওয়া পাওয়ারের চেয়ারম্যান আবু নায়ন বলেন, সামাজিকভাবে খুবই সম্মানিত বোধ করছি। বিনিয়োগের সুযোগ পাওয়া আমার জন্য সৌভাগের। আমি আইএমএফ, ইউএনের রিপোর্ট দেখেছি, বাংলাদেশ দারুণভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বলেন, মহেশখালী অথবা অন্য কোনো স্থানে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র হতে পারে। নির্ভর করবে প্রাক-সমীক্ষার ওপর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা