kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

চট্টগ্রামে করনেট সম্প্রসারণ ও রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম উদ্বোধন

‘করভীতি দূর করতে চাই’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৪:০৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চট্টগ্রামে করনেট সম্প্রসারণ ও রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম উদ্বোধন

কর অঞ্চল-১ এর কমিশনার মো. ইকবাল হোসেন বলেছেন, আমাদের উদ্দেশ্য একটি করদাতা বাড়ানো। এর জন্য করভীতি দূর করতে চাই। করশিক্ষা বাড়াতে চাই। যার যতটুকু সামর্থ্য ততটুকু কর দিতে হবে। কর কর্মকর্তাদের সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগোতে হবে। কেউ হয়রানি করলে আমার (কমিশনার) দরজা সবসময় খোলা। অনেকে কমিশনারের কাছে ভয়ে আসেন না। আমি করভীতি দূর করতে চাই।

আজ সোমবার সকালে আগ্রাবাদে আয়কর বিভাগের ‘সাম্পান’ সম্মেলন কক্ষে কর অঞ্চল-১ এর করনেট সম্প্রসারণ ও রিটার্ন দাখিল সম্পর্কিত উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক, প্রান্তিক ব্যবসায়ীকে বোঝালে তারা উদ্বুদ্ধ হবেন কর দিতে। কর দিলে রাষ্ট্রকে সাহায্যের পাশাপাশি নিজেকে সাহায্য করা হয়। একজন ভিক্ষুকও ভ্যাট দেন।

কমিশনার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ইতোমধ্যে আমরা অভ্যন্তরীণ কিছু কাজ করেছি। কর অঞ্চল-১ এর অধীনে গত বছর জুলাই-সেপ্টেম্বর ৩ মাসে করদাতার সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ১৪০ জন। এবার একই সময়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৯৫৯ জন। পটিয়া ও সীতাকুণ্ড উপজেলায় আয়কর অফিস আছে। বাকি ৯টি উপজেলায় নেই। তাই আমরা তাদের কাছে পৌঁছাতে চাই। আমাদের মূল টার্গেট প্রান্তিক করদাতা। আয়কর রিটার্ন দাখিল বিষয়ে ছোট ছোট কর্মশালা আয়োজন করবো। একের পর এক কর্মসূচি নেবো।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ক্ষুদ্র করদাতাদের সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখাতে হবে। এটি আমার নির্দেশ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে যুগ্ম কর কমিশনার সাইফুল আলম বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট রাজস্বের ৩৫ দশমিক ৫ ভাগ আয়কর থেকে আসবে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা অবিচল। রাজস্ববান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই। শিক্ষক, ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করতে চাই। অক্টোবরে বিভিন্ন উপজেলায় রিটার্ন দাখিল করা হবে।

ডেপুটি কর কমিশনার জোবায়ের হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত কর কমিশনার সফিনা জাহান।

কর কর্মকর্তারা জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরে কর অঞ্চল-১ এর আয়কর আদায় লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা। করদাতার সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ৬২৪ জন। এবার দেড়-দুই লাখে উত্তীর্ণ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া গত বছর আদায় হয়েছিল ৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে বড় অংশ এসেছে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি পর্যায়ে অগ্রীম আয়কর থেকে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা এসেছে এ খাতে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা