kalerkantho

আইপিও প্রক্রিয়া নিয়ে ডিএসইতে কর্মশালায় মিনহাজ মান্নান ইমন

‘নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঠিক পদক্ষেপে লিস্টিং আইন সংশোধন ও সংযোজন'

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৯:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঠিক পদক্ষেপে লিস্টিং আইন সংশোধন ও সংযোজন'

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেছেন, ব্বয়ের দশকের শুরুতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হওয়ার পর বিভিন্ন আইনী কাঠামো, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঠিক পদক্ষেপে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখে সময়ের সাথে সাথে লিস্টিং পদ্ধতির প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংযোজন হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের সুবিধা হচ্ছে পাঠদান কর্মসূচি বা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জ্ঞান আহরণ করতে পারছে।

বৃহস্পতিবার ডিএসই'র ট্রেনিং একাডেমি আয়োজিত ২ দিন ব্যাপী ‘ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং (আইপিও): প্রসেসেস অ্যান্ড প্রসিডিউরস' শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী দিনে তিনি এসব কথা বলেন। প্রশিক্ষণ থেকে পাওয়া জ্ঞান ও জেনে বুঝে বিনিয়োগের পরামর্শও দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির পরিচালক মো রেজাউল করিম ও ডিএসই'র ট্রেনিং একাডেমী ম্যানেজার  মুহাম্মদ রনি ইসলাম।

মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন,  ৮০'র দশকে যখন শেয়ার বেচাকেনা হতো, তখন এসব কাঠামোগত বিষয়, আইন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না ৷ নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরামর্শে বিভিন্ন ধরণের শিক্ষামূলক কার্যক্রম প্রদান করছে। এতে বিনিয়োগকারীরা নিজেদের জ্ঞান-ভান্ডার সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাচ্ছেন। বিশ্বের বিভিন্ন স্টক এক্সচেঞ্জের যে সমস্ত প্রকাশনা ছিল সেগুলো পড়ার বা বোঝার মতো জ্ঞান ছিলোনা। এখন সকলের জন্য সেই দরজাও উন্মুক্ত। সহজেই যেকোনো প্রয়োজনীয় তথ্য সহজেই পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, আগে যখন আইপিও অনুষ্ঠিত হতো তখন গুটি ব্যক্তিবর্গ আবেদন করতেন৷  তখন মনে করা হতো কিভাবে আবেদন করা যায় তা জানতে পারলেই চলবে কিন্ত এখন আইপিও প্রসিডিউর কি, আইপিও কিভাবে আসছে, রিকোয়ারমেন্ট কি, কার্যক্রম কি, আইন এর কাঠামো কি, মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি কি, লেনদেন কিভাবে হবে, এর কার্যপ্রণালী কি, এসব বিশদ বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে। এসব সম্পর্কে জ্ঞান থাকাটা সময়োপযোগী  বিষয়। এখন  যারা ক্যাপিটাল মার্কেট এ আসছেন সত্যিকার অর্থে জ্ঞান অর্জন, প্রশিক্ষণ ও পড়াশোনা করে আসছেন। প্রবেশ পথে জ্ঞান অর্জন ও প্রাপ্তির সুযোগ থাকছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা