kalerkantho

৯৫ কোটি টাকা ঘাটতি ও নিয়মবহির্ভূত ঋণ সমন্বয়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৯:১৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



৯৫ কোটি টাকা ঘাটতি ও নিয়মবহির্ভূত ঋণ সমন্বয়

২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বার্ষিক নিরীক্ষিত প্রতিবেদন পরীক্ষা বিনিয়োগকারীর সমন্বিত হিসাবে ঘাটতি ও নিয়মবহির্ভূতভাবে নেওয়া ঋণের ৯৫ কোটি ৩১ লাখ ৩২ হাজার ৯৭১ টাকা অভিযোগ নিষ্পত্তি করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। হিসাব পরীক্ষা করে ঘাটতি ও নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়ে কম্পানির স্টেকহোল্ডার হিসেবে আনা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মিত সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে শেয়ার ছেড়ে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে এডিএন টেলিকম লিমিটেড। আর সামাজিক ও পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করতে ৮৩ কোটি টাকার সামাজিক উদ্যোক্তা ফান্ডের নিবন্ধনের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

বিএসইসি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাজার মধ্যস্থতাকারী (তালিকাভুক্ত কম্পানি ছাড়া) প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের আনীত অভিযোগের ৭৮.২১ শতাংশ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এনফোর্সমেন্ট বিভাগে চলমান অভিযোগগুলোকে বিবেচনায় নিলে এ হার ৯২.০৭ শতাংশ। কমিশন ডিএসই ও সিএসইর ট্রেকহোল্ডারদের বার্ষিক নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পরীক্ষা করে। এর পরে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে গ্রাহকদের হিসাবে ঘাটতি থাকা অর্থের ৮৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা সমন্বয় করেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের পরিচালকদের নিয়মবহির্ভূতভাবে গৃহীত সাত কোটি ৯ লাখ টাকা আদায় করে দিয়েছে।

এডিএন টেলিকমের আইপিও : এডিএন টেলিকম লিমিটেড বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বিডিংয়ের পর মূলধন উত্তোলনে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। কম্পানিটি যোগ্য বিনিয়োগকারীর কাছে অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও প্রিমিয়াম ২০ টাকা মিলে ৩০ টাকায় শেয়ার ইস্যু করবে। আর সাধারণ বিনিয়োগকারী এই দামের চেয়ে ১০ শতাংশ কমে ২৭ টাকায় শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১৪ আগস্ট বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য এডিএন টেলিকম বিডিংয়ের অনুমোদন পায়। অনুমোদনের পর কম্পানিটি বিডিংয়ের মাধ্যমে কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণ করে।

৮৩ কোটি টাকার ফান্ড : বিল্ড বাংলাদেশ সোশ্যাল এন্টারপ্রেনার্স ফান্ড নামে একটি ইমফ্যাক্ট ফান্ডের নিবন্ধন প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এই ফান্ডটির আকার হবে ৮৩ কোটি টাকা আর মেয়াদ ১০ বছর। ফান্ডটির উদ্যোক্তা জেসি ম্যানেজমেন্ট কম্পানি লিমিটেড, ফান্ড ম্যানেজার ইমপ্রেস ক্যাপিটাল লিমিটেড ও ট্রাস্টি গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কম্পানি লিমিটেড।

মূলত ফান্ডটি দেশের সামাজিক ও পরিবেশের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, নবায়নযোগ্য ও বিশুদ্ধ জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, টেকসই উৎপাদন খাত, শিক্ষা, প্রকৌশল ও পর্যটন ইত্যাদিতে বিনিয়োগ করবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা