kalerkantho

পতন ধারায় পুঁজিবাজার

আবারও বেড়েছে শেয়ার বিক্রির চাপ

ডিএসইর জিডির ঘটনায় নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীরা!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ আগস্ট, ২০১৯ ১১:১৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আবারও বেড়েছে শেয়ার বিক্রির চাপ

প্রতীকী ছবি

আবারও পতন ধারার ফিরে গেছে দেশের পুঁজিবাজার। হাতে থাকা শেয়ার ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় সূচকের পতন বেড়েছে। গতকাল বুধবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ৭৪ শতাংশ কম্পানির শেয়ার দাম হ্রাস পেয়েছে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ৬৮ শতাংশ কম্পানির শেয়ার দাম হ্রাস পেয়েছে। উভয় বাজারেই সূচক ও লেনদেন হ্রাস পেয়েছে।

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ঈদের পর পুঁজিবাজারে সামান্য লেনদেন হলেও বড় উত্থান-পতন তেমনটা হয়নি। তবে কয়েক দিন ধরে পতন ধারায় ফিরেছে পুঁজিবাজার। এ ক্ষেত্রে দুটি ইস্যু থাকতে পারে বলে ধারণা তাঁদের। দুর্নীতি দমন কমিশনে বিএসইসি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করলেও কয়েক দিন পর অভিযোগের সত্যতা না পাওয়া এবং বিনিয়োগকারীদের মানববন্ধন ও সমাবেশ নিয়ে থানায় ডিএসইর সাধারণ ডায়েরি।

পতনের বাজার নিয়ে মতিঝিলে ডিএসইর সামনে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করলে সেটায় ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যবস্থা নিতে গত মঙ্গলবার থানায় ডায়েরি করা হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ শেয়ার লেনদেন থেকে বিরত থাকা ও বিক্রির চাপ থাকায় পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলেও জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৫৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা, আর সূচক কমেছে ৩৮ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৪৬৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, আর সূচক বেড়েছিল ১২ পয়েন্ট। সেই হিসাবে সূচক ও লেনদেনে পতন হয়েছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে লেনদেন শুরুর পর শেয়ার কেনার চাপ বাড়লে সূচক বাড়ে। তবে ৩০ মিনিট সূচক বাড়ার পর বিক্রির চাপ বাড়লে সূচকে পতন হয়। পরবর্তীতে সূচক কমার মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে। দিন শেষে সূচক দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ১৩৯ পয়েন্ট। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে এক হাজার ১৯২ পয়েন্ট ও ডিএস-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৮১৭ পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩৫০ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৯টির, কমেছে ২৬২টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯ কম্পানির শেয়ার দাম।

লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার। কম্পানিটির লেনদেন হয়েছে ২৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল টিউবসের লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, আর তৃতীয় স্থানে থাকা মুন্নু সিরামিকসের লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। অন্যান্য শীর্ষ কম্পানি হচ্ছে ওয়াটা কেমিক্যাল, মুন্নু স্টাফলার্স, জেএমআই সিরিঞ্জ, গ্লোবাল ইনস্যুরেন্স, সিলকো ফার্মা, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো ও বিকন ফার্মা।

অন্য বাজার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ৫৪ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ২৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা আর সূচক বেড়েছিল ১৩ পয়েন্ট। বুধবার লেনদেন হওয়া ২৬৬ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ১৮৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩ কম্পানির শেয়ার দাম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা