kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের উৎসাহিত করতে হোন্ডা ইয়েস অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ আগস্ট, ২০১৯ ১৫:৫৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের উৎসাহিত করতে হোন্ডা ইয়েস অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম

হোন্ডা ফাউন্ডেশন (এইচওএফ) বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের (বিএইচএল) মাধ্যমে, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন সেন্টারের (জেআইসিই) সহযোগিতায় আগস্ট মাস থেকে বাংলাদেশে হোন্ডা ইয়েস (ইয়াং ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড সায়েন্টিস্ট’স) অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম শুরু করেছে। ঢাকার ওয়েস্টিন হোটেলে আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে এই অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হোন্ডা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকিহিরো কামিওকা, এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরী, বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিমিহিকো কাতসুকি, রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির (রুয়েট) উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম শেখ, জাইকার মহাব্যবস্থাপক হিতোশি হিরাতা, একমাত্রা সোসাইটির হিরোকি ওয়াতানাবে, বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের অর্থ ও বাণিজ্য বিভাগের প্রধান শাহ মুহাম্মদ আশেকুর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা।

এশিয় দেশগুলোর ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ত্বরাণ্বিত করতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে উৎসাহিত করাই এই পুরষ্কারের প্রধান লক্ষ্য। ইয়েস অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য হলো, ভবিষ্যৎ উন্নয়নে নেতৃত্ব দেয়ার মতো উদ্ভাবনী দক্ষতাসম্পন্ন ছাত্রদের খুঁজে বের করে তাদের অনুপ্রাণিত করা; যারা সৃষ্টিশীল প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবসভ্যতার যথার্থ উপলব্ধিতে সহায়তা করার পাশাপাশি মানুষ ও তার চারপাশের পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রক্ষা করবে। এই পুরষ্কার কর্মসূচির শুরু ২০০৬ সালে ভিয়েতনামে। এরপর এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেমন: ভারত, কম্বোডিয়া, লাওস এবং মিয়ানমারে প্রচলন করা হয়েছে; কারণ এসব দেশের অর্থনীতির পারা উল্লেখযোগ্যভাবে উর্ধ্বমুখী। চূড়ান্ত সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে দেশভেদে এই পুরস্কারের নিয়মাবলী আলাদা।

বাংলাদেশে ইয়েস (ইয়াং ইঞ্জিনিয়াস অ্যান্ড সায়েন্টিস্ট’স) অ্যাওয়ার্ড প্রচলনে চারটি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটিকে সম্পৃক্ত করে শুরুর কথা ভাবা হয়েছে। এগুলো হলো-বাংলাদেশ ইউসিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বুয়েট), চট্টগ্রাম ইউসিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (চুয়েট), খুলনা ইউসিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (কুয়েট) ও রাজশাহী ইউসিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (রুয়েট)।

নির্ধারিত এই চারটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর নির্বাচিত চারজন আন্ডারগ্রাজুয়েট ছাত্রের প্রত্যেককে ৩০০০ ডলার করে প্রদান করা হবে। উপরন্তু, হোন্ডা ইয়েস অ্যাওয়ার্ড প্লাস প্রোগ্রামের অধীনে এই বিজয়ীরা বছরে পুরস্কার/অনুদান হিসাবে অতিরিক্ত ১০ হাজার ডলার পেতে পারবে। এক্ষেত্রে অবশ্য পুরষ্কার প্রাপ্তির তিন বছর পরও স্নাতোকোত্তর পর্যায়ে তাদের পড়াশুনা অব্যাহত রাখতে হবে কিংবা বিদেশে পড়াশুনার কর্মসূচির আওতায় জাপানী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশুনা করতে বা ইন্টার্নশিপ কর্মসূচিতে জাপানের গবেষণা প্রতিষ্ঠান অথবা হোন্ডা ফাউন্ডেশন অনুমোদিত বেরসকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে হবে। পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠান বর্তমানে নির্ধারিত রয়েছে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে।

গতির স্বাধীনতা আর আনন্দকে পূর্ণতা দিতে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড (বিএইচএল) অবশ্য পুরষ্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে একটি করে মোটরসাইকেলও উপহার দেবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা