kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ আগস্ট ২০১৯। ৮ ভাদ্র ১৪২৬। ২১ জিলহজ ১৪৪০

আগস্ট থেকে কার্যকরের প্রস্তুতি নিচ্ছে এনবিআর

অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন না নিলে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়েছে, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে অনলাইনে পুনর্নিবন্ধন করতে হবে

ফারজানা লাবনী    

২৮ জুলাই, ২০১৯ ০৮:৩০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন না নিলে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

দেশে আমদানি-রপ্তানি ব্যবসা চালাতে হলে অনলাইনে ৯ সংখ্যার ভ্যাট বা মূসক নিবন্ধন নম্বর নিতে হবে। এ নম্বর ছাড়া ১ আগস্ট থেকে আমদানি-রপ্তানি ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না। পণ্যও খালাস করা যাবে না। ভ্যাট আইন ২০১২ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে অনলাইনে ভ্যাট প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে এরই মধ্যে অনেক ব্যবসায়ী অনলাইনে নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়াতে আবেদন করেছে।

আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায় সম্ভাব্য জটিলতা এড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে এরই মধ্যে বিভিন্ন পত্রিকা ও টেলিভিশনের মাধ্যমে এসব বিষয় জানাতে প্রচার চালাচ্ছে। ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে বিভিন্ন রাজস্ব দপ্তর থেকে সভা-সেমিনার করা হচ্ছে। চলতি মাসের মধ্যে অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণে আহ্বান জানানো হয়েছে। অনলাইনে নিবন্ধন ছাড়া আমদানি-রপ্তানি না করতে পারার বিষয়টি গত ৬ জুন এনবিআর থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সবাইকে জানানো হয়।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের অনলাইনে নিবন্ধন নিতে হবে। কোনো সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের ৯ ডিজিটের বিআইএন (ব্যবসা চিহ্নিতকরণ নম্বর) না থাকলে তার লাইসেন্সের কোনো কার্যকারিতা থাকবে না। ফলে তিনি গ্রাহকদের সিঅ্যান্ডএফ সেবা দিতে পারবেন না। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে অনলাইনে পুনর্নিবন্ধন করতে হবে।

এ বিষয়ে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের পরিচালক মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘৯ ডিজিটের নম্বর না থাকলে জুলাইয়ের পর কোনো প্রতিষ্ঠান পণ্য আমদানি করার পর তা বন্দরে খালাস করতে পারবে না। এ জন্য ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভ্যাট অনলাইনে পুনর্নিবন্ধন নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। না হলে তাদের ব্যাবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।’

অনলাইনে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়মে সার্কেল অফিসের পরিবর্তে কেন্দ্রীয়ভাবে এনবিআর থেকে নিবন্ধন নম্বর দেওয়া হচ্ছে। নিবন্ধন নম্বরও আকারে একটু ছোট হয়ে ৯ ডিজিটের হয়েছে। এরই মধ্যে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে। গত অর্থবছরে এনবিআর প্রথম ধাপে দেশের বড় মাপের দেড় শতাধিক ব্যবসায়ীপ্রতিষ্ঠানের জন্য পাইলট প্রকল্প হিসেবে অনলাইনে ভ্যাট প্রদানের সুযোগ রাখলেও আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত কাজে পুরনো পদ্ধতিই ছিল।  অনলাইন কার্যক্রম সম্পূর্ণ চালু হলে প্রতিষ্ঠানের আমদানি-রপ্তানি সম্পর্কিত সব তথ্য এনবিআরসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অফিসে বসেই দেখতে পারবেন। ভ্যাট আইন ২০১২ অনুসারে অনলাইনে ভ্যাট পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠান এক মাসের ভ্যাট পরের মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পরিশোধ বাধ্যতামূলক করেছে। অনলাইনে যুক্ত কোনো ব্যবসায়ীপ্রতিষ্ঠান এক মাসের ভ্যাট পরের মাসের ১৬ তারিখে পরিশোধে সুযোগ পাবে না।

এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, ‘অনলাইনে ভ্যাট দেওয়া হলে অসাধু এনবিআর কর্মকর্তা এবং ভ্যাট ফাঁকিবাজ ব্যবসায়ীরা অনৈতিক লেনদেনের সুযোগ পাবে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা