kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ আগস্ট ২০১৯। ৮ ভাদ্র ১৪২৬। ২১ জিলহজ ১৪৪০

উচ্চশিক্ষায় আস্থার জায়গা আইইউবিএটি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ জুলাই, ২০১৯ ১৫:০১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



উচ্চশিক্ষায় আস্থার জায়গা আইইউবিএটি

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় একজন শিক্ষার্থীকে সবচেয়ে কঠিন বাধাটি অতিক্রম করতে হয় এইচএসসি পাসের পর, উচ্চ শিক্ষার প্রবেশমুখে। ভবিষ্যতের উজ্জ্বল ক্যরিয়ার এ সময়ের নির্ভুল সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পারা এবং আরো নানা বাস্তব সমস্যার কারণেও শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠন সুষ্ঠু পথে এগোনো অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। তবে এক্ষেত্রে মানসম্পন্ন শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। তাদেরই একটি আইইউবিএটি।  

আইইউবিএটির যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯১ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ও আইবিএ এর সাবেক পরিচালক এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়য়ের পথিকৃৎ প্রফেসর ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। আইইউবিএটি'র সার্বিক লক্ষ্য উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দিক নির্দেশনার মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করা।

আইইউবিএটি'র স্থায়ী ক্যাম্পাস উত্তরায় ১০ নম্বর সেক্টরে। ১৭ বিঘা জমির ওপর সুবিশাল ক্যাম্পাস। সেখানে প্রায় সাত হাজার ছাত্র-ছাত্রী নানা বিষয়ে পড়ালেখা করছেন। আশার কথা যে, বর্তমানে  আইইউবিএটি'তে এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এসে পড়াশোনা করছেন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি ক্রমেই উজ্জ্বল করছে।  

এখানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বৃত্তির সুযোগ দিচ্ছে আইইউবিএটি। প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. এম  আলিমউল্যা মিয়ান বৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে স্বনামধন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। এছাড়াও এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে মেধা বৃত্তি, মেয়েদের উচ্চ শিক্ষায় উৎসাহিত করতে স্পেশাল বৃত্তিসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৫৭টি বৃত্তি দেয়া হয়। মোটকথা এখানে পড়াশোনা করার জন্য অধিকাংশ শিক্ষার্থীই আর্থিক সহযোগিতা পাচ্ছেন। এ বিষয়ে আরও তথ্য জানতে ০১৬৮৭-১৪২ ৭৯২ এবং ০১৭০০-৫১৩ ৫৮৬ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন শিক্ষার্থীরা। 

শিক্ষার্থীদের আনা-নেয়ার জন্য ক্যাম্পাস থেকে নিজস্ব বাস চলাচল করে। প্রতিদিন এক ঘণ্টা পর পর শাটল সার্ভিসের মাধ্যমে ক্যাম্পাসের আশপাশের এলাকা হতে শিক্ষার্থীদের আনা-নেওয়া করে। আর ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, সাভার গাজীপুর এবং নারায়ণঞ্জ হতে প্রতিদিন সকাল ৭টায় ক্যাম্পাসের উদ্দেশে বাসগুলো ছেড়ে আসে এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় ক্যাম্পাস থেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে ছেড়ে যায়। এর জন্য শিক্ষার্থীদের কোনো টাকা পয়সা দিতে হয় না। 

আইইউবিএটিতে ভর্তির জন্য এবং আরো বিস্তারিত জানতে অনলাইনে  অথবা  সরাসরি আবেদন করা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটের (http://www.iubat.edu/admission) মাধ্যমে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এছাড়াও  আইইউবিএটির  স্থায়ী ক্যাম্পাস ঢাকার উত্তরায় ১০ নাম্বার সেক্টরে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি অফিসেও সরাসরি ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা  যাবে।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা