kalerkantho

'অজ্ঞাত' কারণে পাঠাও থেকে ৩০০ কর্মী ছাটাই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ জুন, ২০১৯ ১৭:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'অজ্ঞাত' কারণে পাঠাও থেকে ৩০০ কর্মী ছাটাই

দেশের রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাও বিনা নোটিশে তিন শতাধিক কর্মী ছাটাই করেছে। গণমাধ্যমে এই খবর প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে একটি পিআর কম্পানির মাধ্যমে বিবৃতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু বিবৃতির নামে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আসলে কোনো তথ্যই উল্লেখ নেই।

এ বিষয়ে পাঠায়ের সিনিয়র মার্কেটিং ম্যানেজার নাবিলা মাহবুব কালের কণ্ঠকে বলছেন, 'আমরা বিবৃতি পাঠিয়েছি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বাইরে আমাদের বলার কিছুই নেই।' 

এদিকে চাকরিচ্যুত একজন কর্মী কালের কণ্ঠ অফিসে উপস্থিত হয়ে বলেন, 'কোনো ঘোষণা ছাড়াই পাঠাও আমাদের চাকরিচ্যুত করেছে। অথচ গত চলতি মাসের ১৭ তারিখে নতুনভাবে নিয়োগের জন্য ৭০ জন প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে পাঠাও। এরই মাঝে আকস্মিক এই চাকরিচ্যুতির ঘটনা আমরা অবাক হয়েছে।'

জানা গেছে পাঠাও বিদেশি একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বড় বিনিয়োগ পেতে যাচ্ছিল। কিন্তু সে বিনিয়োগ আটকে যায়। যার কারণে পাঠাও কর্তৃপক্ষকে বাধ্য হয়ে কর্মী ছাটাইয়ের মতো সিদ্ধান্ত নিতে হয়। ছাঁটাই হওয়ার কর্মীর সংখ্যা তিন শতাধিক। মঙ্গলবার সকালে কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই তাদের ছাঁটাই করা হয়। ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা পাঠাওয়ের বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত। এদের মধ্যে এক্সিকিউটিভ অ্যাসিসটেন্ট ম্যানেজার ও কয়েকজন ডিপার্টমেন্টাল হেডও রয়েছেন বলেও জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠান দাবি করছে, অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যয় বৃদ্ধি রোধে এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে কর্মী ছাঁটাই করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রযুক্তিনির্ভর, সহজলভ্য, বিরতিহীন ও গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে তারা নিজেদের প্রস্তুত করছে।

অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যয় কী? জানতে প্রশ্ন করা হলেও পাঠাও কর্তৃপক্ষ কোনো উত্তর দেয়নি। তারা বলছে তাদের বিবৃতির বাইরে নতুন কিছু বলার নেই। ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে পাঠাও তাদের রাইড শেয়ারিং সেবা চালু করে। প্রতিষ্ঠানটিতে ব্যাটারি রোড ডিজিটাল হোল্ডিংস এলএলসি, ইন্দোনেশিয়ার কোম্পানি গো-জেকসহ আরও কিছু প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা