kalerkantho

শুক্রবার । ১৯ জুলাই ২০১৯। ৪ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৫ জিলকদ ১৪৪০

নতুন বাজেটে করমুক্ত আয়ের সীমা আড়াই লাখই রইল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ জুন, ২০১৯ ১০:৩৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নতুন বাজেটে করমুক্ত আয়ের সীমা আড়াই লাখই রইল

নতুন অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তির করমুক্ত আয়ের সীমা আড়াই লাখ টাকাই রাখা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বিদ্যমান হারেই কর দিতে ব্যক্তির অভ্যস্ততা বিবেচনায় এবং করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হলে করভিত্তি সংকুচিত হয়ে যাবে, তাই ব্যক্তির করহার অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে।

যদিও প্রাক-বাজেট আলোচনায় ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও করদাতা ব্যক্তিরা জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিলেন।

বিদ্যমান করমুক্ত আয়সীমা অনুযায়ী, সাধারণ করদাতার আয় দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত কোনো কর দিতে হবে না। নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ টাকা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির চার লাখ টাকা ও গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার চার লাখ ২৫ হাজার টাকা।

সাধারণ করহারে ব্যক্তির প্রথম আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত করহার শূন্য, পরবর্তী চার লাখ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ, পরবর্তী পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ছয় লাখ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ, পরবর্তী ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২৫ শতাংশ এবং অবশিষ্ট মোট আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ কর দিতে হবে।

বিশেষ করহারের হিসাবে দেখা যায়, সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুলসহ সব ধরনের তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারীর ব্যবসা থেকে অর্জিত আয়ে কর দিতে হবে ৪৫ শতাংশ, বাংলাদেশে অনিবাসী এরূপ ব্যক্তির শ্রেণিভুক্ত করদাতার অর্জিত আয়ে ৩০ শতাংশ ও নিবন্ধিত সমবায় সমিতির অর্জিত আয়ে ১০ শতাংশ কর দিতে হবে।

ব্যক্তি শ্রেণির করহার প্রসঙ্গে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কম্পানি ব্যতীত অন্যান্য শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা কয়েক বছর যাবৎ দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা আছে। মহিলা করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ টাকা। অন্যান্য অন্য কিছু ক্যাটাগরিতে করমুক্ত আয়সীমা আর একটু বেশি। যেসব মানদণ্ডে কয়েক বছর যাবৎ করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত আছে, এ বছরও সেগুলোর পরিবর্তন আনা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘অনেক উন্নত দেশে করমুক্ত আয়সীমা মাথাপিছু আয়ের ২৫ শতাংশের কম। আবার অনেক দেশে করমুক্ত আয়সীমা নেই। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে করমুক্ত আয়সীমা মাথাপিছু আয়ের সমান বা তার চেয়ে কম। বাংলাদেশে বর্তমান করমুক্ত আয়সীমা আরো বাড়ালে বিদ্যমান করদাতাদের অনেকেই করের আওতার বাইরে চলে যাবে। এতে করভিত্তি সংকুচিত হবে। কম্পানি কর ব্যতীত অন্যান্য শ্রেণির করদাতাদের ক্ষেত্রে বর্তমানে কার্যকর করহার কয়েক বছর যাবৎ অপরিবর্তিত আছে। করদাতারা এ কর প্রদানে অভ্যস্ত হয়েছে। এসব বিবেচনায় আমি কম্পানি ব্যতীত অন্যান্য শ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা, করহার ও ন্যূনতম কর অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করছি।’ 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা