kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ঈদের পর ‘হাঁড়িভাঙ্গা’, ২০০ কোটি টাকা বিক্রির আশা

স্বপন চৌধুরী, রংপুর    

২৬ মে, ২০১৯ ১২:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈদের পর ‘হাঁড়িভাঙ্গা’, ২০০ কোটি টাকা বিক্রির আশা

ঈদের পর বাজারে আসবে রংপুরের সুস্বাদু ‘হাঁড়িভাঙ্গা’ আম। এই আম জুন মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে গাছ থেকে পাড়া শুরু হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূলে বা প্রচণ্ড গরম থাকলে সপ্তাহখানেক আগেও বাণিজ্যিকভাবে বাজারে হাঁড়িভাঙ্গা আম বিক্রি করতে পারবে আম চাষিরা।

চাষিরা জানায়, প্রচলিত আমের চেয়ে একটু দেরিতে হয় বলে জুন মাসের তৃতীয় সপ্তাহের আগে এই আমের প্রকৃত স্বাদ পাওয়া যায় না। বর্তমানে বাজারে হাঁড়িভাঙ্গা আম বিপণনকে ঘিরে মিঠাপুকুরে প্রস্তুতি নিচ্ছে বাগান মালিক, ব্যবসায়ীসহ এক বিশাল জীবিকার চক্র। আমের হাট বলে পরিচিত বদরগঞ্জের পদাগঞ্জ হাটসহ বিভাগীয় শহর রংপুরের বিভিন্ন এলাকায় আম ব্যবসায়ীরা অপেক্ষায় আছে এই হাঁড়িভাঙ্গার।

কৃষি বিভাগ বলছে গত দুই সপ্তাহের ঝড়-বাতাসে আমের কিছুটা ক্ষতি হলেও ফলন ভালো হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব কিছু ঠিক থাকলে শুধু হাঁড়িভাঙ্গা আম বিক্রি করে এবার ২০০ কোটি টাকার ব্যবসা করতে পারবে এখানকার আম চাষিরা। সূত্র জানায়, এ বছর রংপুর জেলায় তিন হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে আমের ফলন হয়েছে। এর মধ্যে হাঁড়িভাঙ্গার ফলন হয়েছে এক হাজার ৪৫০ হেক্টরে। গত বছর প্রতি হেক্টরে ফলন হয়েছিল ৯ দশমিক ৪ মেট্রিক টন। সেই হিসাবে এবার শুধু হাঁড়িভাঙ্গা উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার মেট্রিক টন। দেশের অন্যান্য স্থানের আম শেষ হওয়ার পরই রংপুরের বাজারে আসবে হাঁড়িভাঙ্গা আম। মৌসুমের শুরুতে হাঁড়িভাঙ্গার চাহিদা বেশি থাকায় এর দাম কিছুটা বেশি থাকে। সে ক্ষেত্রে প্রতি কেজি হাঁড়িভাঙ্গা আম ৮০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

মিঠাপুকুরের আখিরা হাট গ্রামের আব্দুস ছালাম বলেন, ‘আমি ২৭ বছর ধরে হাঁড়িভাঙ্গা আমের চাষ করছি। আমার দেখাদেখি এখন রংপুরে কয়েক লাখ হাঁড়িভাঙ্গা আমের চারা রোপণ করেছে আম চাষিরা।’ হাঁড়িভাঙ্গা আমের সম্প্রসারক হিসেবে পরিচিত এই আব্দুস ছালামের ২৫টি আমের বাগান রয়েছে। জুন মাসের মাঝামাঝি সময় এই বাগান থেকে তিনি হাঁড়িভাঙ্গা আম বাজারের বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা